২১ মে ২০২৬, ১১:১২

শিক্ষকদের গাফিলতিতে পদে পদে ভোগান্তি এসএসসি পরীক্ষার্থীদের, ভুল প্রশ্নে ফলাফল নিয়েও উদ্বেগ

এসএসসি পরীক্ষার্থী  © সংগৃহীত

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের তাত্ত্বিক পরীক্ষা কোনো ধরনের প্রশ্ন ফাঁস ছাড়াই গতকাল বুধবার (২০ মে) শেষ হয়েছে। এবারের পরীক্ষা কেন্দ্রগুলোর চরম গাফিলতি আর শিক্ষকদের মারাত্মক ভুলে দেশজুড়ে প্রশ্নপত্র ওলটপালটের এক নজিরবিহীন হিড়িক লক্ষ্য করা গেছে। অন্তত ৩০টি কেন্দ্রে নিয়মিত ও অনিয়মিত পরীক্ষার্থীদের সিলেবাস, প্রশ্ন ও সেট কোড গুলিয়ে ফেলার কারণে হাজারো শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ এখন চরম অনিশ্চয়তার মুখে। একের পর এক ভুলের এই ধারাবাহিকতায় শেষ দিনে উচ্চতর গণিত প্রশ্নেও বড় ধরনের ত্রুটি থাকায় ক্ষোভ ও হতাশায় ভেঙে পড়েছেন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা।

পরীক্ষায় ভুলের ধারাবাহিকতায় সর্বশেষ গত ১৭ মে অনুষ্ঠিত ঢাকা বোর্ডের উচ্চতর গণিত পরীক্ষায় বড় ধরনের ভুল ধরা পড়ে। পাঁচজন শিক্ষক ও ১০ জন শিক্ষার্থীর চুলচেরা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, উচ্চতর গণিত প্রশ্নপত্রের ২ নং প্রশ্নের ‘গ’ অংশে ২:১ এর স্থলে প্রকৃত অনুপাত হবে ১:৪; ৪ নং প্রশ্নের ‘গ’ অংশের প্রমাণে ৫ এর স্থলে ৩ হবে এবং ৬ নং প্রশ্নের ‘গ’ অংশে ‘চতুর্ভুজ’-এর পরিবর্তে ‘ট্রাপিজিয়াম’ হওয়া আবশ্যক ছিল, কারণ ট্রাপিজিয়াম ব্যতীত এই প্রশ্নের প্রমাণ করা কোনোভাবেই সম্ভব নয়। পরীক্ষায় এই ১২ নম্বরের বড় ভুলের কারণে প্রশ্ন মেলাতে গিয়ে শিক্ষার্থীরা বিভ্রান্ত হয়ে ব্যাপক সময় অপচয় করেছে এবং নম্বর পাওয়া নিয়ে দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছে।

একইভাবে ব্যবসায় শিক্ষা শাখার ‘ব্যবসায় উদ্যোগ’ পরীক্ষায় ভুল সিলেবাসে পরীক্ষা নেওয়ার মারাত্মক অভিযোগ উঠেছে। গত ১৪ মে নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলার শম্ভুপুরা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের ৪০১ নম্বর কক্ষে থাকা ৫৪ জন পরীক্ষার্থীকে ২০২৬ সালের নিয়মিত সিলেবাসের পরিবর্তে ২০২৫ সালের পুরোনো সিলেবাসের প্রশ্নপত্র দেওয়া হয়। নির্ধারিত পাঠ্যসূচির বাইরে পরীক্ষা দিতে বাধ্য হওয়া এই শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ এখন চরম অনিশ্চয়তায়। এর আগে গত ২১ এপ্রিল সোনারগাঁও উপজেলার ওমর আলী উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে একই ধরনের ভুলের শিকার হয় ১৭৭ জন শিক্ষার্থী; যেখানে পরবর্তীতে দায়িত্ব অবহেলার দায়ে কেন্দ্র সচিব মহিউদ্দীনকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

প্রতিবছরের মতো এবারও পরীক্ষা শুরুর আগে মতবিনিময় সভা হয়েছে। সেখানে কী কী বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে, সব বলা হয়েছে। তারপরও কিছু শিক্ষক ভুল করেন। তাদের বহুবার সতর্ক করা হয়েছে। আগামী বছরও আমরা এসব উদাহরণ তুলে ধরব। বলা হবে, গত বছর এমন হয়েছিল, এ বছরও হয়েছে আবার হলে শাস্তির মাত্রা আরও বাড়বে। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাব—প্রফেসর ড. খন্দোকার এহসানুল কবির, সভাপতি, আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি

একই দিন অর্থাৎ ১৪ মে বরিশাল শহরের রূপাতলী সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের দুটি কক্ষে ‘ব্যবসায় উদ্যোগ’ পরীক্ষায় অনিয়মিতদের জন্য নির্ধারিত পুরোনো বছরের এমসিকিউ (নৈর্ব্যক্তিক) প্রশ্নপত্র দিয়ে ৪টি কক্ষের পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়। পরীক্ষা শেষে বিষয়টি বুঝতে পেরে ৪০ জন পরীক্ষার্থী নতুন করে পরীক্ষা নেওয়া অথবা খাতা মূল্যায়নে বিশেষ ব্যবস্থার জোর দাবি জানিয়েছে। 

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী নূর ইয়াসমিনের অভিভাবক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘সন্তানেরা দুই বছর কষ্ট করে প্রস্তুতি নিয়েছে, শিক্ষকদের এমন দায়িত্বহীনতার খেসারত কেন আমাদের ছেলেমেয়েরা দেবে?’

এ বিষয়ে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর এসএম কামাল উদ্দিন হায়দার বলেন, ভুল প্রশ্নপত্র বিতরণের ঘটনায় পরীক্ষার্থীদের ফলাফলে কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখা হচ্ছে এবং শিক্ষার্থীরা যেন কোনোভাবে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে এবারের এসএসসির প্রথম দিন অর্থাৎ ২১ এপ্রিলই কুমিল্লার দেবিদ্বারের মোহনপুর উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে চরম বিভ্রান্তি তৈরি হয়। সেখানে বাংলা প্রথমপত্র পরীক্ষায় ২০২৫ সালের ১০ জন অনিয়মিত পরীক্ষার্থীকে ২০২৬ সালের নিয়মিতদের নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্ন দেওয়া হয়। ১০ মিনিট পর ভুল ধরা পড়লে কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও বোর্ডের কর্মকর্তারা প্রশ্ন পরিবর্তন করে দিলেও পরীক্ষার্থীদের কোনো বাড়তি সময় দেওয়া হয়নি।

একই দিনে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে কানসাট সোলেমান মিঞা ডিগ্রি কলেজের ৮ নম্বর কক্ষে বাংলা প্রথমপত্রের পরীক্ষায় ভুল প্রশ্নপত্র দেওয়ার ঘটনা ঘটে। এক পরীক্ষার্থী উপজেলা নির্বাহী অফিসারের (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ দিলে প্রশাসন দায়িত্বরত তিন শিক্ষককে পরীক্ষার দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়।

এ বছর ভুলের সংখ্যা খুবই কম। একটা প্রশ্নই ভুল হয়েছে। কেন হয়েছে, কে করেছে এসব দেখা হবে। এতে শিক্ষার্থীদের কোনো ক্ষতি হবে না। আমরা সে ব্যবস্থা করব।—প্রফেসর এসএম কামাল উদ্দিন হায়দার, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, ঢাকা শিক্ষা বোর্ড

পরীক্ষার দ্বিতীয় দিন অর্থাৎ ২৩ এপ্রিল বরিশালের উজিরপুরে অনিয়মিত শিক্ষার্থীদের জন্য নির্ধারিত ২০২৫ সালের প্রশ্নপত্রের পরিবর্তে ২০২৬ সালের নিয়মিত পরীক্ষার্থীদের প্রশ্নপত্র দিয়ে পরীক্ষা নেওয়া হয়, যার ফলে ফলাফল নিয়ে জটিলতা সৃষ্টির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এই ঘটনায় সংশ্লিষ্ট কেন্দ্র সচিবসহ দুজনকে বহিষ্কার করা হয়। 

একই দিনে কক্সবাজারের উখিয়ায় আবুল কাশেম নূর জাহান চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে বাংলা দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষায় অনিয়মিত ১৩ পরীক্ষার্থীকে ২০২৫ সালের পরিবর্তে ২০২৬ সালের প্রশ্নপত্র দেওয়া হয়। শিক্ষার্থীরা প্রতিবাদ করলেও কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ তা আমলে নেয়নি; পরবর্তীতে এই ঘটনায় কেন্দ্রসচিব লুৎফর রহমান মানিকসহ চারজনকে বহিষ্কার করা হয়।

এদিকে গত ৩০ এপ্রিল মাদারীপুরের কালকিনিতে এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র বিতরণে অনিয়মসহ দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে চার শিক্ষককে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয় প্রশাসন।

গত ৫ মে ‎লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে এসএসসি পরীক্ষায় গুরুতর অব্যবস্থাপনার অভিযোগ ওঠে। হলের ১১৩ পরীক্ষার্থীকে ভুল সেটের প্রশ্নপত্র বিতরণ করা হয়। রায়পুর সরকারি মার্চেন্টস একাডেমি কেন্দ্রের দ্বিতীয় ভেন্যুতে এ ঘটনা ঘটে। পরে বোর্ডের পক্ষ থেকে কেন্দ্রসচিব ও বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোস্তফা ফারুকীকে শোকজ করা হয়।

দিনাজপুরে এসএসসি পরীক্ষায় ভুল সেট কোডের প্রশ্নে পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষা গ্রহণের ঘটনা ঘটেছে। এজন্য শিক্ষা বোর্ড কর্তৃপক্ষ কেন্দ্রসচিব ও ট্যাগ অফিসারকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়েছে। গত ১০ মে ইকবাল হাইস্কুল পরীক্ষা কেন্দ্রে নির্ধারিত ‘১ নম্বর সেট’-এর পরিবর্তে ভুলবশত ‘৩ নম্বর সেট’-এর প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়া হয়।

গত ১৬ মে মৌলভীবাজারের ফ্লাওয়ার্স স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে ভুল সেটের প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়ায় কেন্দ্রসচিবসহ মোট সাত জনকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে এ কেন্দ্রে পরীক্ষা পরিচালনার জন্য ছয় সদস্য বিশিষ্ট নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে।

এসএসসি পরীক্ষায় ভুল প্রশ্নপত্র বিতরণ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. খন্দোকার এহসানুল কবির দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘এ বছর ভুলের সংখ্যা খুবই কম। একটা প্রশ্নই ভুল হয়েছে। কেন হয়েছে, কে করেছে এসব দেখা হবে। এতে শিক্ষার্থীদের কোনো ক্ষতি হবে না। আমরা সে ব্যবস্থা করব।’

কুমিল্লা ঈশ্বর পাঠশালা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে অথৈ পানি, বেঞ্চে পা তুলে লিখলেন এসএসসি পরীক্ষার্থীরা

এ বিষয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘না, আমাদের নিয়মিত কমিটি আছে। তারাই এ বিষয়ে রিপোর্ট দেবে।’

শিক্ষার্থীদের নম্বর নিয়ে কোনো সমস্যা হবে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘কোথায় কতটুকু, কারা কতটুকু সুবিধা পাবে, সেসব বিষয় আমরা সিদ্ধান্ত নেব। বিষয়টি শিক্ষার্থীদের পক্ষেই যাবে। শিক্ষার্থীরা কোনোভাবেই ক্ষতিগ্রস্ত হবে না। এমন নিয়ম আগেও অনুসরণ করা হয়েছে।’

এ সময় ৩০টি কেন্দ্রে ভুল প্রশ্নপত্র বিতরণের প্রসঙ্গ তুললে বোর্ড চেয়ারম্যান বলেন, ‘ভুল প্রশ্ন বলতে আসলে দুই ধরনের সেট ছিল। নিয়মিত ও অনিয়মিত পরীক্ষার্থীদের জন্য আলাদা প্রশ্ন ছিল। এটি গত বছরের প্রশ্ন ছিল এমন কথা ঠিক নয়। নিয়মিত পরীক্ষার্থীদের মধ্যে অনিয়মিতদের প্রশ্ন এবং অনিয়মিতদের মধ্যে নিয়মিতদের প্রশ্ন উল্টোভাবে বিতরণ করা হয়েছিল। পরে ১৫ মিনিট বা আধা ঘণ্টার মধ্যে ভুল ধরা পড়লে প্রশ্নপত্র পরিবর্তন করে সঠিক প্রশ্ন দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে যে সময় নষ্ট হয়েছে, সেই অতিরিক্ত সময়ও শিক্ষার্থীদের দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ বিষয়টি কেন্দ্রেই সমাধান করা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘ঢাকা বোর্ডের ৫০১টি কেন্দ্রের মধ্যে হয়তো তিনটি কেন্দ্রে এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে। শতাংশের হিসেবে এটি খুবই কম। তারপরও আমরা ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্টদের শাস্তি দিয়েছি। আরও শাস্তির বিষয়ও রয়েছে। শিক্ষা অধিদপ্তর থেকেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

আগামীতে এ ধরনের ঘটনা ঠেকাতে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘প্রতিবছরের মতো এবারও পরীক্ষা শুরুর আগে মতবিনিময় সভা হয়েছে। সেখানে কী কী বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে, সব বলা হয়েছে। তারপরও কিছু শিক্ষক ভুল করেন। তাদের বহুবার সতর্ক করা হয়েছে। আগামী বছরও আমরা এসব উদাহরণ তুলে ধরব। বলা হবে, গত বছর এমন হয়েছিল, এ বছরও হয়েছে আবার হলে শাস্তির মাত্রা আরও বাড়বে। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাব।’

এছাড়াও চলমান এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় বেশকিছু আলোচিত ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে রয়েছে, ২৮ এপ্রিল ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে ১১টি পরীক্ষা কেন্দ্রে মোমবাতির আলোয় পরীক্ষা দেওয়া, একই দিনে কিশোরগঞ্জের নিকলীতে বৈরী আবহাওয়ার কারণে এক ঘণ্টা বিলম্বে পরীক্ষা শুরু হওয়া, ভারী বৃষ্টিতে কুমিল্লার ঈশ্বর পাঠশালা স্কুলকেন্দ্রে হাঁটু সমান নোংরা পানিতে বসেই পরীক্ষা দেওয়া উল্লেখযোগ্য।

এছাড়া বাগেরহাটের শরণখোলায় সন্তান প্রসবের পাঁচ ঘণ্টা পর এবং কুড়িগ্রামে তিনদিনের নবজাতক রেখে এক মায়ের দাখিল পরীক্ষা দেওয়ার বিষয়টিও বেশ আলোচিত হয়। তাছাড়া এবারের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার প্রথমদিনেই প্রশ্ন ফাঁস হয়েছে বলে বিভিন্ন মাধ্যমে খবর ছড়িয়ে পড়ে। পরে খবরটি সম্পূর্ণ অসত্য, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। প্রশ্ন ফাঁস চক্রের হোতাকে আটকও করে আইনশৃঙ্খলাবাহিনী।