আরও ৫৪ চীনা অ্যাপ নিষিদ্ধ করল ভারত

প্রতীকী
প্রতীকী   © ছবি

আরও ৫৪টি চীনা অ্যাপ নিষিদ্ধ করতে যাচ্ছে ভারত। দেশটির নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে ওঠায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় এই সুপারিশ করেছে। সুপারিশ অনুমোদন হলে ভারতের তথ্য ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় আনুষ্ঠানিকভাবে গেজেট প্রকাশ করবে। এমন খবর জানিয়েছে হিন্দুস্তান টাইমস।

নিষিদ্ধের সুপারিশকৃত অ্যাপের মধ্যে রয়েছে সুইট সেলফি এইচডি, বিউটি ক্যাম, সেলফি ক্যামেরা, ভাইভা ভিডিও এডিটর, অ্যাপলক, ডুয়াল স্পেস লাইট ও টেনসেন্ট জিরিভার। এর আগে গত বছরের জুনে ভারতের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তার জন্য বিপজ্জনক অভিহিত করে টিকটক, উইচ্যাট, হ্যালোসহ চীনের ৫৯টি অ্যাপ নিষিদ্ধ করেছিল ভারত।

ভারতে নিরাপত্তার স্বার্থে এমন পদক্ষেপ সরকারের বলে সূত্রের খবর। তথ্য-প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সূত্রের বরাতে হিন্দুস্তান টাইমস জানিয়েছে, নিষিদ্ধ হতে যাওয়া চীনা অ্যাপগুলো বিদেশি সার্ভারগুলোতে ভারতের সংবেদনশীল তথ্য স্থানান্তর করে। এর ভিত্তিতেই এ নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। এরই মধ্যে এসব অ্যাপ্লিকেশনকে গুগল প্লে স্টোর থেকে ব্লক করারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: বইমেলায় টিকার সার্টিফিকেট ছাড়া খাবার নয়

ভারত সরকারের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, নিষিদ্ধ হতে চলা বেশির ভাগ অ্যাপ টেনসেন্ট অথবা আলিবাবার মালিকাধীন। এদের হোস্টিং হংকং ও সিঙ্গাপুরে হলেও সব ডাটা চীনের সার্ভারগুলোতে ট্রান্সফার হয়। ওই কর্মকর্তার ভাষ্য—কিছু কিছু অ্যাপ আছে যেমন—বাইটড্যান্সের মালিকাধীন টিকটক এবং টেনসেন্টের মালিকাধীন উইচ্যাট বিভিন্ন বিকল্প মাধ্যমে যেমন ‘apk’ ফাইল হিসেবেও ডাউনলোড করা যায়। তাই, সরকার সব বিষয় বিবেচনা করেই এ পদক্ষেপ নিয়েছে।

লাদাখ সীমান্ত নিয়ে উত্তেজনা ও চীনের সেনাদের সঙ্গে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পর ২০২০ সালের মে মাস থেকে চীনের প্রায় ৩০০টি অ্যাপ নিষিদ্ধ করেছে ভারত। পূর্ব লাদাখে গালওয়ান উপত্যকায় চীনা সেনাদের সঙ্গে সংঘর্ষে ২০ ভারতীয় সেনা নিহত হওয়ার পর ২০২০ সালের জুনে ভারত প্রথম দফায় চীনা অ্যাপ নিষিদ্ধ করে।

২০২০ সালে ৫ মে পূর্ব লাদাখে দুই দেশের সেনাদের মধ্যে উত্তেজনা শুরু হয়। পরে ১৫ জুন হাতাহাতি–সংঘর্ষে ভারতের অন্তত ২০ সেনা নিহত হলে উত্তেজনা আরও বাড়ে।


সর্বশেষ সংবাদ