জবি ছাত্রদল নেতা জোবায়েদ হত্যার ৪১ ঘণ্টা পর মামলা

২১ অক্টোবর ২০২৫, ১২:০৬ PM
জবির শিক্ষার্থী মো. জুবায়েদ হত্যার পর দুজনকে পালিয়ে যাওয়ার দৃশ্য

জবির শিক্ষার্থী মো. জুবায়েদ হত্যার পর দুজনকে পালিয়ে যাওয়ার দৃশ্য © ফাইল ছবি

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষার্থী ও জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের আহবায়ক কমিটির সদস্য মো. জুবায়েদ হত্যার ঘটনায় ৪১ ঘণ্টা পর মামলা হয়েছে। এতে তার টিউশনের ছাত্রী (১৯) ও প্রেমিক মো. মাহির রহমানসহ (১৯) তিনজন আসামি রয়েছেন। মামলার অন্য আসামি হলেন, ফারদীন আহম্মেদ আয়লান (২০)।

মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) বংশাল থানায় এ মামলাটি করেন জোবায়েদের ভাই এনায়েত হোসেন সৈকত। এতে অজ্ঞাতনামা আরও চার-পাঁচ জনকে আসামি করা হয়েছে। 

মামলার এজাহারে জানা গেছে, জোবায়েদ হোসেন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনার পাশাপাশি টিউশন করতেন। প্রতিদিনের মতো তিনি ১৯ অক্টোবর বিকেল সাড়ে চারটার দিকে বংশাল থানাধীন নুর বক্স লেনের রৌশান ভিলায় ছাত্রীকে পড়ানোর জন্য যান। একই তারিখে সন্ধ্যা ৫টা ৪৮ মিনিটের সময় জোবায়েদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ছোট ভাই সৈকতকে ছাত্রী মেসেঞ্জারের মাধ্যমে জানান, স্যার খুন হয়ে গেছে। কে বা কারা তাকে খুন করে ফেলছে। 

ঘটনার বিষয়টি একই তারিখ রাত ৭টার সময় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র মো. কামরুল হাসান মামলার বাদী জোবায়েদের ভাইকে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে জানান। সৈতক তার শ্যালক শরীফ মোহাম্মদকে সঙ্গে নিয়ে মোটরসাইকেলযোগে ওইদিন রাত সাড়ে ৮টার দিকে ঘটনাস্থল রৌশান ভিলায় পৌঁছান।

সৈকত ঘটনাস্থলে গিয়ে তার পরিচিত বড় ভাই অ্যাড ইশতিয়াক হোসাইন জিপু তাঁকে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থল রৌশান ভিলা ভবনের নিচতলা থেকে ওপরে উঠার সময় সিঁড়ি এবং দেয়ালে রক্তের দাগ দেখতে পান। ভবনের তৃতীয় তলার রুমের পূর্ব পাশে সিঁড়িতে নিয়ে গেলে জোবায়েদের রক্তাক্ত মরদেহ উপুড় অবস্থায় দেখতে পান।

আরও পড়ুন: প্রেমিকার সঙ্গে ২৫ সেপ্টেম্বর জোবায়েদ হত্যার পরিকল্পনা করেন মাহির: পুলিশ

সুরতহাল প্রস্তুত করার সময় তার গলার ডান পাশে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন দেখতে পায়। ঘটনাস্থলে উপস্থিত লোকজনের নিকট হতে জেনে এবং আশপাশ এলাকার সিসি ক্যামেরার ভিডিও ফুটেজ দেখে উল্লিখিত আসামিসহ অজ্ঞাতনামা বিবাদীরা পূর্ব-পরিকল্পিতভাবে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলার ডান পাশে আঘাত করে হত্যা করেছে বলে বাদী নিশ্চিত হন। বিশ্লেষণে দেখা যায়, মৃত্যুর ৪১ ঘণ্টা পর বংশাল থানা পুলিশ এ মামলা গ্রহণ করে।

বাদী এনায়েত হোসেন সৈকত বলেন, ‘আমাদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে পরামর্শ করেই মামলা করেছি। গতকাল আমাদের মানসিক অবস্থা ভালো না থাকায় মামলা করতে একদিন দেরি হয়েছে। যারা প্রকৃত আসামি, আমরা তাদের নাম উল্লেখ করেই মামলা করেছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা চাই কোন নির্দোষ ব্যক্তি যেন ফেঁসে না যায়। যারা প্রকৃত অপরাধী তারাই শাস্তি পাক। মামলায় যাদের নাম উল্লেখ করেছি, তাদের সবাইকেই পুলিশ গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে। এজন্য পুলিশকে ধন্যবাদ জানাই। আমরা সুষ্ঠ বিচার চাই।’

খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গণশিক্ষা উপদেষ্টার শোক
  • ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫
শোক জানিয়ে খালেদা জিয়াকে নিয়ে আজহারীর পোস্ট
  • ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘এ’ ইউনিটের ফলাফল প্রকাশ
  • ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫
বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোক, জাবিতে সকল ক্লাস ও পরীক্ষা …
  • ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫
জকসু নির্বাচনের নতুন তারিখ নির্ধারণে ফের সিন্ডিকেট সভা শুরু
  • ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫
এক্সিকিউটিভ/সিনিয়র এক্সিকিউটিভ নিয়োগ দেবে মেঘনা গ্রুপ, আবে…
  • ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫