বশেমুরবিপ্রবি শিক্ষার্থী ধর্ষণের প্রতিবাদে ঢাবিতে মানববন্ধন

মানববন্ধন
মানববন্ধন  © টিডিসি ফটো

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেমুরবিপ্রবি) শিক্ষার্থী ধর্ষণ ও আন্দোলনরত শিক্ষক-ছাত্রদের উপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এসময় তারা অপরাধীদের বিচার নিশ্চিত না করা পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন।

আরও পড়ুন: গাজায় হামলার সময় ফিলিস্তিনের বিপক্ষে ছিলেন জেলেনস্কি

রবিবার বেলা ১২ টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলা ভাস্কর্যের পাদদেশ এই মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়।

এসময় শিক্ষার্থীরা, ‘ধর্ষক ও ধর্ষণ রুখে দেবে জনগণ’ ‘ছাত্র-শিক্ষক এক হও’ ‘ধর্ষকের স্পর্ধা বাড়তে কেন নেই বাধা’ ‘অনিরাপদ দেশ বিচার চাইলে ভোগান্তির নেই শেষ’ ইত্যাদি লেখা সম্বলিত বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করেন।

মানববন্ধনে শামসুন্নাহার হলের সাবেক ভিপি তাসনিম আফরোজ ইমি বলেন, আমরা সবসময় দেখি ঘটনা যেমনই হোক আন্দোলনে নামলে ছাত্রছাত্রীদের উপর হামলা করা হয়। এই ধরণের ঘটনা আমরা জাহাঙ্গীরনগরে দেখেছি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে দেখেছি, সাস্টে দেখেছি এখন গোপালগঞ্জেও দেখছি। অহিংস শান্তিপূর্ণ দাবি জানানোর সময় এভাবে হামলা হওয়া কখনো কাম্য নয়। এই হামলা করার সংস্কৃতি যাতে বন্ধ হয় তার দাবিতে আজকের আমাদের এই মানববন্ধন।

মানববন্ধনে সমাজবিজ্ঞান বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী অরুনিমা তাহসিন বলেন, গোপালগঞ্জের সাম্প্রতিক গণধর্ষণের ঘটনার প্রতিবাদ ও গোপালগঞ্জে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের উপর হামলার প্রতিবাদে আমরা এখানে সমবেত হয়েছি। আমরা জানি যে ৬ জন গ্রেফতার হয়েছে। তারপরও আমরা দাঁড়িয়েছি। গ্রেফতার হলেই ধর্ষণ কমে যায় না, বিচারহীনতার সংস্কৃতিও পরিবর্তন হয় না।আমরা অধিকাংশ সময় দেখি ধর্ষণের রিপোর্ট হলেও বিচার হয় না। আমরা এই বিচারহীনতার সংস্কৃতির শেষ দেখতে চাই।

আরও পড়ুন: প্রক্টরের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান ভর্তিচ্ছুদের

টুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী মো রামিম খান বলেন, ধর্ষণ একটা জঘন্য অপরাধ। আমরা ধর্ষণের পরে দাঁড়াই। অথচ ধর্ষণ যাতে না হয় তার জন্য আগে থেকেই আমাদের দাঁড়ানো প্রয়োজন। প্রস্তুতিস্বরূপ বিচারহীনতার সংস্কৃতি বন্ধ করতে হবে, আন্দোলনরতদের উপর হামলা করা বন্ধ করতে হবে। অন্যায়ে বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা একজন নাগরিকের অধিকার। তাদের উপর হামলা করা মানে অন্যায়ের পৃষ্ঠপোষকতা করা।

তিনি আরও বলেন, আমরা দেখতে পাই মাত্র ৩% ধর্ষণের বিচার হয়। দেখা যায় ধর্ষণের পর হত্যা হলে সেগুলোর শুধু বিচার হয়। ধর্ষণের পর হত্যা হলে তারপর আমরা বিচার পাব, এরকমটা কেন হবে? আমাদের দাবি সকল ধরণের অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে হবে এবং এগুলোর সুষ্টু বিচার নিশ্চিত করতে হবে।


সর্বশেষ সংবাদ