১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৪:৪০

১ অক্টোবর ঢাবির হল খোলার দাবি শিক্ষার্থীদের

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়  © ফাইল ছবি

মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর অবশেষে আগামী ৫ অক্টোবর থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সব হল খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাবি কর্তৃপক্ষ। অন্তত একডোজ টিকা নেয়ার শর্তে ওইদিন সকাল ৮টা থেকে শিক্ষার্থীরা হলে উঠতে পারবেন। তবে ৫ তারিখের পরিবর্তে ১ অক্টোবর হলে ওঠার দাবি জানিয়েছেন অনেক ঢাবি শিক্ষার্থী। 

এদিকে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রায় সব হলের ৯০ ভাগ কাজ শেষ। শুধুমাত্র কিছু দেয়ালে রং করা এবং শেষ মুহূর্তের ধোঁয়া-মোছার কাজ চলছে।

তাই শিক্ষার্থীরা মাসের প্রথম ৫ দিন মেসে থাকার সমস্যা উল্লেখ করে পহেলা অক্টোবর হল খোলার দাবি জানিয়েছেন। তারা বলছেন, হলগুলো যেহেতু শতভাগ প্রস্তুত, পহেলা অক্টোবর হল না খোলাটা তাদের জন্য হয়রানির।

ডাকসুর সাবেক সংস্কৃতি সম্পাদক আসিফ তালুকদার বলেন, অনেক শিক্ষার্থী ঢাকায় মেস ভাড়া করে আছেন। তারা কী পারবে ৫ অক্টোবর পর্যন্ত মেসে ফ্রি থাকতে? অক্টোবরের ৫ তারিখে মেস বা বাসা ছাড়তে গেলে মেস মালিক বা বাসার মালিক কী তাকে ছাড় দেবে? আমাদের প্রশাসন ৫ তারিখের পরিবর্তে ১ অক্টোবর থেকে হলে থাকার ব্যবস্থা চাইলেই করতে পারতেন। শিক্ষার্থীদের স্বার্থ বিবেচনা করে অক্টোবরে ১ তারিখ থেকে হল খুলে দেওয়া এখন সময়ের দাবি।

মাহমুদুল হাসান নামে মাস্টার্সের এক শিক্ষার্থী বলেন, ১ তারিখ হল খুললে বিশ্ববিদ্যালয়ের কী এমন ক্ষতি হতো! যার জন্য হাজার হাজার শিক্ষার্থীকে ভোগান্তি পোহাতে হবে। এটা মোটেও শিক্ষার্থী বান্ধব সিদ্ধান্ত নয়। আমরা এর বাস্তবায়ন দেখতে চাই না। পহেলা অক্টোবর হল খুলতে হবে এটাই আমাদের একমাত্র দাবি।

শিক্ষার্থীদের দাবির বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. একেএম গোলাম রব্বানীকে অবহিত করলে তিনি বলেন, পরিবেশ পরিষদের যে প্রস্তাবনা ছিল, আমরা সেগুলো মাথায় রেখেই কাজটা করেছি। সেপ্টেম্বরের ২৬ তারিখ গ্রন্থাগার, সেমিনার, রিডিং রুম খুলে দেওয়া হবে। হল খুলে দেওয়ার পরিকল্পনাও আমাদের ছিল। কিন্তু ১ ও ২ তারিখ আমাদের ভর্তি পরীক্ষা আছে। এটা আমাদের জন্য একটি চ্যালেঞ্জ। এজন্য আমরা ৫ অক্টোবর খোলার সুপারিশ করেছি।

তিনি আরও বলেন, আমাদের শিক্ষার্থীরা অনেক বেশি বিবেকবান। তাদের নিজস্ব চিন্তা-ভাবনার গভীরতা আছে। আশা করি তারা বিষয়টি বুঝবেন।