হল খুলে পরীক্ষা নেয়ার দাবিতে ঢাবি ভিসিকে ছাত্রদলের স্মারকলিপি
আবাসিক হল খুলে দিয়ে অনার্স-মাস্টার্সের চূড়ান্ত পরীক্ষা নেওয়ার দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি জমা দিয়েছে ছাত্রদল। আজ বুধবার (২৩ ডিসেম্বর) দুপুরে উপাচার্যের কক্ষে এ স্মারকলিপি জমা দেয় সংগঠনটির নেতারা।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, সেশনজট মোকাবেলা ও ৪৩তম বিসিএস পরীক্ষার কথা বিবেচনা করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় একাডেমিক কাউন্সিল আগামী ২৬ ডিসেম্বর থেকে অনার্স শেষবর্ষ ও মাস্টার্সের পরীক্ষাসমূহ সম্পন্ন করার গৃহীত সিদ্ধান্তকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল সাধুবাদ জানায়। কিন্তু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থী এবং ক্যাম্পাসে ক্রিয়াশীল সকল ছাত্র সংগঠনগুলোর মতামত ও অনুরোধকে উপেক্ষা করে, পরীক্ষার্থীদের আবাসনের কোনো ব্যবস্থা না করে, আবাসিক হলগুলো বন্ধ রেখে পরীক্ষা গ্রহণের এই সিদ্ধান্তকে চরম হঠকারী, অবিবেচনাপ্রসূত এবং একপাক্ষিক সিদ্ধান্ত বলে মনে করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল।
এতে আরও উল্লেখ করা হয় , জুন মাস হতে করোনা প্রকোপ কিছুটা লাঘব হওয়ার পর থেকে দেশের সকল হাট-বাজার,অফিস-আদালত,ব্যবসা-বাণিজ্য থেকে শুরু করে সকল কিছু খুলে দেওয়া হলেও, অজ্ঞাত এক কারণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের সকল উচ্চতর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো দিনের পরদিন বন্ধ করে রাখা হয়েছে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল দীর্ঘদিন ধরেই জাতীয় স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্যাম্পাস খুলে দেওয়ার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে আসছে।
তাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের প্রতি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল বিনীত অনুরোধের সাথে সাধারণ শিক্ষার্থীদের দাবির সাথে সহমত পোষণ করে, যাদের স্নাতক ও স্নাতকোত্তর চূড়ান্ত পরীক্ষা রয়েছে তাদের আবাসনের সুব্যবস্থা নিশ্চিত করার সাপেক্ষে জাতীয় স্বাস্থ্যবিধি মেনে হলগুলো খুলে দেওয়ার জোর দাবি জানাচ্ছে।
এসময় সময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি ফজলুর রহমান খোকন, সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন শ্যামল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের আহ্বায়ক মোঃ রাকিবুল ইসলাম রাকিব, সদস্য সচিব মোঃ আমানউল্লাহ আমান।
ঢাবি ছাত্রদলের আহবায়ক রাকিবুল ইসলাম রাকিব দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল সাধারণ শিক্ষার্থীদের আবেগকে ধারণ করে বিগত জুন মাস থেকেই ক্যাম্পাস ও আবাসিক হলগুলো খুলে দেয়ার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বারবার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে কিন্তু কোন এক অজানা কারণে বিশেষ করে মেট্রোরেল প্রকল্প সহ বিভিন্ন ইস্যুতে সাধারণ শিক্ষার্থীরা প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে পারে,সে কারণেই হয়তবা ক্যাম্পাস বন্ধ রাখা হয়েছে। এখন পরীক্ষার্থীদের জন্য হলেও হলগুলো খুলে দেয়ার জন্য অনুরোধ করছি।