০৭ ডিসেম্বর ২০২০, ১৮:৪৫

৪৩তম বিসিএসে অংশগ্রহণের সুবিধার্থে পরীক্ষা গ্রহণ ও ফল প্রকাশের দাবি স্বতন্ত্র জোটের

  © লোগো

করোনার কারণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ২০১৫-১৬ সেশন ও ২০১৬-১৭ সেশনের অনেক শিক্ষার্থী স্নাতক পর্যায়ের সর্বশেষ পরীক্ষা দিতে পানেনি। আবার যারা পেরেছেন তাদের ফলাফল প্রকাশিত না হওয়ায় কর্মজীবনে প্রবেশ করতে পারছেন না। তাদের পরিবার তাদের দিকে মুখ তুলে বসে আছে কিন্তু বিশ্ববিদ্যায়ের প্রশাসনিক ব্যর্থতায় তারা স্নাতক সম্পন্ন করতে পারছেন না বলে অভিযোগ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রিক ছাত্রসংঠন স্বতন্ত্র জোট।

আজ সোমবার (৭ ডিসেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে স্বতন্ত্র জোট বলছে, পুরো পৃথিবী করোনার প্রথম ধাক্কায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দিলেও রাষ্ট্রীয় ও প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগে উচ্চতর শিক্ষা কার্যক্রম অন্যান্য দেশে পূর্বের গতিতে ফিরে এসেছে। খোদ বাংলাদেশেও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, বুয়েট, ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয়ভাবে স্নাতক শেষ বর্ষের শিক্ষার্থীদের দ্রুত পাশ করিয়ে দেয়ার উদ্যোগ নিয়েছে। ইতোমধ্যেই আবার ৪৩তম বিসিএস দরজায় কড়া নাড়ছে। এমতাবস্থায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কর্মকাণ্ডের অভাব সত্যিই হতাশাজনক।

‘তাই শিক্ষার্থীদের কর্মজীবনে প্রবেশ ও সংসারের হাল ধরার স্বার্থে যত দ্রুত সম্ভব, স্বাস্থ্য বিধি মেনে স্নাতক শেষ বর্ষের সকল পরীক্ষা সম্পন্ন করে ফলাফল প্রকাশের দাবি জানায় স্বতন্ত্র জোট। বিশেষত ৩১ জানুয়ারি ৪৩তম বিসিএস পরীক্ষার রেজিস্ট্রেশন শেষ হওয়ার আগেই এই দুই সেশনের সকল লিখিত পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে।’