ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ‘আইন’ ভঙ্গ করেছে: রিজভী
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ‘আইন’ ভঙ্গ করেছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেছেন, অধ্যাপক ড. মোর্শেদকে চাকরিচ্যুতি আইনের লঙ্ঘন। এই সরকার ভিন্নমতকে সহ্য করতে পারে না। তাদের দলীয় লোকেরা অন্যায় করলেও পার পেয়ে যাচ্ছে।
আজ শনিবার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বাংলাদেশ শিক্ষক সমন্বয় পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত মানববন্ধনে এসব কথা বলেন তিনি।
রিজভী বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই ভিসির কাছে কোনো নৈতিক শিক্ষা পাওয়া যায় না। তিনি নৈতিক স্খলনের জন্য দায়ী। তিনি নীতি বিসর্জন দিয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে ছাত্র সমাজকে ন্যায় সংগত দাবিতে আন্দোলন করতে হবে।
অধ্যাপক মোর্শেদ হাসান খানকে চাকুরিচ্যুত করার প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, মোরশেদ খান একজন তারুণ্যদীপ্ত শিক্ষক। তার স্ত্রী যখন ক্যান্সারে ভুগছেন, সেই সময় তিনি বার্তা পেলেন তার চাকরি নেই। শুধুমাত্র ভিন্নমতের কারণে।
তিনি বলেন, আমি আমার বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিপি ছিলাম, সিন্ডিকেট মেম্বার ছিলাম। ৭৩ এর অ্যাক্টে যে বিধান রয়েছে সেটা আমার মোটামুটি জানা আছে। ভিন্নমতের কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকের চাকরি যেতে পারে না।
২০১৮ সালের মার্চে একটি জাতীয় দৈনিকে নিবন্ধ লেখেন ড. মোর্শেদ হাসান খান। প্রকাশিত নিবন্ধে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতি ও বঙ্গবন্ধুকে অবমাননার অভিযোগ এনে গত ৯ সেপ্টেম্বর তাকে চাকুরি থেকে অব্যাহতি দেয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট।
রিজভী বলেন, অধ্যাপক ড. মোর্শেদকে চাকুরিচ্যুতি আইনের লঙ্ঘন। তিনি একজন মেধাবী শিক্ষক। তাকে ভিন্নমতের কারণে চাকুরিচ্যুত করা হয়েছে। কারণ তিনি জিয়াউর রহমানের নামে প্রবন্ধ লিখেছেন। এ জন্যই তাকে চাকুরিচ্যুত করা হয়েছে। এটা করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ‘আইন’ ভঙ্গ করেছে। যাকে বলা হয়- ‘ইউনিভার্সিটি অফ ল ব্রেকিং’।