ঢাবির অস্বচ্ছল শিক্ষার্থীদের স্মার্টফোন-ডাটা দিতে ছাত্রলীগের আহবান
করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে বন্ধ রয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। তবে গত জুলাই থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদ ও ইনিস্টিটিউটে অনলাইন ক্লাস শুরু হয়েছে। যেসব অস্বচ্ছল শিক্ষার্থী এ কার্যক্রমের আওতায় আসতে পারেনি, তাদের ডিভাইস ও মোবাইল ডাটার খরচের জন্য তালিকা করে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি) বা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের মাধ্যমে আর্থিক অনুদান প্রদান করতে আহবান জানিয়েছে ছাত্রলীগ।
বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হল খোলা ও ক্লাস কার্যক্রম শুরুর বিষয়ে পরিবেশ পরিষদভুক্ত ক্যাম্পাসের ক্রিয়াশীল ১৩ ছাত্র সংগঠনের সঙ্গে বৈঠকে সংগঠনটির নেতারা এ আহবান জানায়। একইসঙ্গে বৈঠকে শিক্ষার্থীদের এ বছরের উন্নয়ন ফি সম্পূর্ণ প্রত্যাহারেরও দাবি জানানো হয়।
এ বিষয়ে ঢাবি শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন জানান, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে আমরা আহবানও জানিয়েছি, অনলাইন ক্লাসের আওতায় আসতে পারেনি যেসব অস্বচ্ছল শিক্ষার্থী, তাদের ডিভাইসের জন্য বা মোবাইল ডাটার খরচের জন্য তাদের তালিকা করে ইউজিসি বা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের মাধ্যমে আর্থিক অনুদান প্রদান করার জন্য। অনলাইন ক্লাসের আওতায় না থাকা শিক্ষার্থীদের জন্য রিকভারি প্ল্যানের আওতায় যেন তাদের সাপ্লিমেন্টারি ক্লাসের ব্যবস্থা রাখা হয় সে আহবানও রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে এ বছরের উন্নয়ন ফি সম্পূর্ণ প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়েছে।
অনলাইন ক্লাসের আওতায় না থাকা শিক্ষার্থীদের জন্য রিকভারি প্ল্যানের আওতায় যেন তাদের সাপ্লিমেন্টারি ক্লাসের ব্যবস্থা রাখা হয় সে আহবানও বৈঠকে রাখা হয়েছে, যোগ করেন সাদ্দাম হোসেন।
আজ শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনলাইনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে ক্যাম্পাসে ও হলে শিক্ষার্থীদের জীবনাচার বিষয়ে একটি গাইডলাইন প্রণয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
বৈঠকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ, উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল, প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ কে এম গোলাম রব্বানী এবং বিভিন্ন হলের প্রভোস্টরা উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকের সিদ্ধান্তের ব্যাপারে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান বলেন, সম্পূর্ণ স্বাস্থ্যবিধি মেনে কীভাবে আবাসিক হলগুলো খোলা যায় সে বিষয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।
কবে নাগাদ হল খোলা হবে, এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটা সামগ্রিক সিদ্ধান্তের ব্যাপার। তবে যখন খোলা হবে তখন স্বাস্থ্যবিধি ও বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে খোলা হবে।