চবির শাটলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) শাটল ট্রেনে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবিতে মানববন্ধন করেছে চবির সাধারণ শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার প্রাঙ্গনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শতাধিক শিক্ষার্থী অংশ নেয়।
এতে সঞ্চালনা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজতত্ত্ব বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র রকি হাসান।
বক্তাদের মধ্যে সমাজতত্ত্ব বিভাগের আরাফাত রায়হান বলেন, শাটলে সচল ফ্যান নেই, নেই পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা। প্রায়ই বহিরাগতরা শাটলে যাতায়াত করে, যা আমাদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। শুধু রঙ্গিন শাটলে আমাদের কোনো উপকার হবে না। তারচেয়ে শাটলের বগি বৃদ্ধি করা হোক। ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানো সহ দ্রুত ক্যাম্পাসটাকে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে ফেলা হোক।
একই বিভাগের মো. রাসেল বলেন, শিক্ষার্থীদের দেওয়ানহাটে ঝুঁকিপূর্ণভাবে নামতে হয়, পাশাপাশি সেখানে নেই কোনো প্লাটফরম। তাছাড়া বহিরাগত যারা ট্রেনে ওঠে সবার মানসিকতা সমান নয়। আর সিডিউল বিপর্যয়ের ব্যাপার তো আছেই। শাটলে নেই পর্যাপ্ত সিটের ব্যবস্থা। আমাদেরকে ঝুলে ঝুলে যাতায়াত করতে হয়। এসব সমস্যার আমরা দ্রুত সমাধান চাই।
তাদের দাবিসমূহ-
১.শাটল ট্রেনের অভ্যন্তরীণ কাঠামোগত যেমন: বাতি, ফ্যান, জরুরী ব্রেকের চেইন, ডোরলক ইত্যাদির সার্বিক সুবিধা নিশ্চিতকরণ।
২.শাটল ট্রেনে বহিরাগত লোকজনের কোনো ধরণের প্রবেশাধিকার না দেওয়া।
৩. দেওয়ানহাটে যে পয়েন্টে ট্রেন থামে সেখানে অন্ততপক্ষে একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত জংশন লাইনগুলোতে সব ধরনের ট্রেন চলাচল বন্ধ রাখা যেন শিক্ষার্থীরা নিরাপদে তা পারাপার হতে পারে।
৪. শাটল ট্রেনে বর্তমানে স্থান সংকট দেখা দিয়েছে, এক্ষেত্রে অবশ্যই বগির সংখ্যা বৃদ্ধি করা।
৫. দেড়টার ট্রেনে তুলনামূলক অতিরিক্ত ভিড় থাকে। এক্ষেত্রে আমাদের শিক্ষার্থী বোনেরা খুবই দূর্বিষহ ভাবে যাতায়াতে বাধ্য হন, এজন্য আমাদের মেয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য অন্তত দুটি আলাদা বগি ঠিক করে দেওয়া যাতে তাদেরকে এই সময়টাতে কোনোরূপ অপ্রীতিকর অবস্থায় যাত্রা করতে না হয়।
এসময় শিক্ষার্থীদের হাতে বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড নিয়ে প্রতিবাদ জানাতে দেখা যায়। এবং তারা বলেন, আগামী কিছু দিনের মধ্যে তাদের দাবী সংবলিত একটি স্মারকলিপি প্রশাসন বরাবর জমা দিবেন।