০২ ডিসেম্বর ২০১৯, ১২:১০

চবিতে ছাত্রলীগের ধর্মঘট শিথিল, বিভিন্ন বিভাগের পরীক্ষা স্থগিত

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) শাখা ছাত্রলীগের একাংশের ডাকা অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট শিথিল করা হয়েছে। একই সঙ্গে ১০টির বেশি বিভাগের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।

সোমবার (২ ডিসেম্বর) সকাল থেকে শুরু হওয়া এই ধর্মঘটে শাটল ট্রেন চলাচল করলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বাস চলাচল করেনি। তবে ধর্মঘট শিথিল করায় বাস চলাচল এখন স্বাভাবিক রয়েছে।

এদিকে ধর্মঘটের কবলে পড়ে বিশ্বিবদ্যালয়ের 'যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ ২য় বর্ষ, ইংলিশ ৪র্থ বর্ষ, শিক্ষা ও গবেষণা ইন্সটিটিউট ৩য় বর্ষ, সমাজতত্ত্ব ২য় বর্ষ, ইসলামিক স্ট্যাডিজ মাস্টার্স, ইতিহাস বিভাগ ২য় বর্ষ, বাংলাদেশ স্ট্যাডিজ ২য় বর্ষ, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ১ম বর্ষ, আরবি, ইসলামের ইতিহাস এবং বন ও পরিবেশবিদ্যা ইন্সটিটিউটের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। এছাড়াও ধর্মঘটের কারনে শাটল ট্রেনে এবং ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের সংখ্যা কম দেখা গেছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন দপ্তরের প্রশাসক অধ্যাপক ড. রাশেদ উন নবী বলেন, সকাল ৮টার দিকে বাস চালকদের কয়েকজনকে হুমকি দেয়াতে পরিবহন বন্ধ রাখা হয়েছিলো। তবে প্রশাসনের আশ্বাসে সকাল ১০ টা পরিবহন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। এছাড়া শাটল ট্রেন চলাচলের বিষয়টি স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানিয়েছেন ষোলশহর স্টেশন মাস্টার তন্ময় চৌধুরী।

এর আগে গতকাল রোববার রাতে ছাত্রলীগের একাংশের ডাকা ধর্মঘটে তিন দফা দাবি উত্থাপন করা হয়। এতে’ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক সিরাজ উদ দৌলার পদত্যাগ, ছাত্রলীগ নেতা সুমন নাসির ও রায়হান রাফির উপর হামলাকারীদের ২৪ ঘন্টার মধ্যে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও স্থায়ী বহিষ্কার করার দাবি জানানো হয়।'

এদিকে সোমবারর বেলা ১১টার দিকে ধর্মঘট শিথিলের বিষয়টি নিশ্চিত করে শাখা ছাত্রলীগ সভাপতি রেজাউল হক রুবেল বলেন, চট্টগ্রামে রাষ্ট্রপতির আগমন উপলক্ষে এবং শিক্ষা-উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মুহিবুল হাসান চৌধুরী নওফল নির্দেশে আমরা ধর্মঘট শিথিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তবে ধর্মঘট স্থগিত করা হয়নি। তিনদিনের মধ্যে অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনতে হবে। এই সময়ে আমরা কোন অবরোধ কর্মসূচি গ্রহণ করবো না। তবে অপরাধীদের গ্রেফতার এবং শাস্তির আওতায় না আনা হলে আমাদের অবরোধ চলবে। উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি দিবো। এছাড়া নগরীর প্রেসক্লাবে মানববন্ধন করা হবে।