‘শিল্পের স্বার্থকতা নির্ভর করে সমাজের কল্যাণ সাধনে’
শিল্পের স্বার্থকতা নির্ভর করে সমাজ ও রাষ্ট্রের সামগ্রিক কল্যাণ সাধন এবং মানুষের নৈতিক উন্নয়নের ওপর। তাই নৈতিকতার সাথে শিল্পের কোন বিরোধ নেই বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) দর্শন বিভাগের প্রভাষক বেলাল আহমেদ ভূঁঞা অনিক।
বুধবার (৩০ অক্টোবর) বিকাল ৪টায় ঢাবির লেকচার থিয়েটারে উচ্চতর মানববিদ্যা গবেষণা কেন্দ্রের উদ্যোগে ‘শিল্প ও নৈতিকতা: নন্দনতাত্ত্বিক পর্যালোচনায় সাম্প্রতিক বাংলাদেশ’ শীর্ষক সেমিনারের বক্তা হিসাবে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি নৈতিকতা বোধের উন্মেষ ঘটিয়ে, আধুনিক বিজ্ঞানভিত্তিক ধর্মীয় কুসংস্কারমুক্ত যুগোপযোগী শিক্ষা ব্যবস্থা প্রণয়নের মাধ্যমে মুক্ত মননের শিল্পচর্চার বিকাশ ঘটানোর উপর গুরুত্বারোপ করেন।
সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদের সাবেক ডিন অধ্যাপক অধ্যাপক ড. বেগম আকতার কামালের সভাপতিত্ত্বে প্রবন্ধের আলোচক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মুনিরা সুলতানা এবং সঞ্চালনা করেন দর্শন বিভাগের অধ্যাপক ড. এম মতিউর রহমান।
এ সময় অধ্যাপক বেগম আকতার কামাল বলেন, আমাদের বিদ্যালয়গুলোতে নীতি শিক্ষার উপর আলাদা পাঠ্যসূচি থাকা দরকার। নীতি শিক্ষার অভাবেই মেধাবী হওয়া সত্ত্বেও আবরার ফাহাদকে হত্যা করা হয়। ঘাতকে পরিণত হয় মেধাবী শিক্ষার্থীরা।
এসময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে তিনি বলেন, শুধু ছাত্র-শিক্ষক রাজনীতির দলাদলী কিংবা কিংবা শ্রেণিকক্ষে পাঠদান নয় আমাদেরকে নতুন জ্ঞান তৈরি করতে হবে। পাশাপাশি দেশীয় শিল্প-সাহিত্যের চর্চা করতে হবে।
অনুষ্ঠানে বক্তারা সুশিক্ষার প্রসার, ধর্মীয় কুসংস্কার থেকে মুক্ত হয়ে ধর্মের সঠিক জ্ঞানার্জন, অভিজ্ঞতা ধর্মী সাহিত্য চর্চা, মুক্ত শিল্পচর্চা, শিল্প ও সাহিত্যের উদ্ভব, বিকাশ ও গুরুত্বের উপর আলোকপাত করেন।