১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১৮:৪৯

এবার জাবি ভিসির পদত্যাগ দাবি আন্দোলনকারীদের

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যায় (জাবি) জন্য একনেক কর্তৃক অনুমোদিত অধিকতর উন্নয়ন প্রকল্পে উপাচার্যের বিরুদ্ধে আর্থিক কেলেঙ্কারিসহ তিনদফা দাবিতে চলমান আন্দোলন ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে জাহাঙ্গীরনগর’ এর নেতাকর্মীদের সাথে প্রশাসনের পূর্বনির্ধারিত আলোচনা হয়েছে। তবে আন্দোলনকারীদের দেওয়া সুনির্দিষ্ট তিন দাবির মধ্যে দুই দাবি মানা হলেও বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি না মানায় আলোচনা ফলপ্রসু হয়নি বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। এতে উপাচার্যের পদত্যাগ দাবি জানিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।

এদিকে প্রশাসনের বিরুদ্ধে মুঠোফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্নের অভিযোগ এনে আলোচনা বর্জন করেছেন উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক আমির হোসেন।

বুধবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন প্রশাসনিক ভবনের কাউন্সিল রুমে আলোচনা শুরু হয়। আলোচনায় উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলামের নের্তৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষে রয়েছেন-আরেক উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক নূরুল আলম, কোষাধ্যক্ষ শেখ মো. মঞ্জুরুল হক, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার রহিমা কানিজ, ভারপ্রাপ্ত প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী নাসির উদ্দিন এবং নির্বাহী প্রকৌশলী (সিভিল) আহসান হাবিব।

অন্যদিকে আন্দোলনকারীদের পক্ষ থেকে আলোচনায় অংশ নেন ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে জাহাঙ্গীরনগর’র সমন্বয়ক অধ্যাপক রায়হান রাইন, দর্শন বিভাগের অধ্যাপক কামরুল আহসান, অধ্যাপক আনোয়ারুল্লাহ ভূঁইয়া, পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক অধ্যাপক খবির উদ্দিন, অধ্যাপক জামাল উদ্দিন, বাংলা বিভাগের অধ্যাপক শামীমা সুলতানা, সহযোগী অধ্যাপক তারেক রেজা, ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের অধ্যাপক নূরুল আলম, জাহাঙ্গীরনগর সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি মো. আশিকুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম পাপ্পু, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মারুফ মোজাম্মেল, ছাত্র ইউনিয়ন জাবি সংসদের সভাপতি নজির আমিন চৌধুরী জয়, কার্যকরী সদস্য রাকিবুল রনি, সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ দিদার, সাংগঠনিক সম্পাদক শোভন রহমান, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট (মার্ক্সবাদী) সভাপতি মাহাথির মোহাম্মদ, সাধারণ সম্পাদক সুদীপ্ত দে এবং বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ জাবি শাখার মুখপাত্র খান মুনতাসির আরমান, আহবায়ক শাকিল উজ্জামান, যুগ্ম আহবায়ক জয়নাল আবেদীন শিশির ও আরিফুল ইসলাম।

এর আগে গত ১২ই সেপ্টেম্বর প্রশাসনের সাথে আন্দোলনকারীদের আলোচনায় দুটি দাবি মেনে নেওয়া হলেও বিচার বিভাগীয় তদন্তের জন্য প্রশাসন তিন কর্মদিবস সময় নেয়। এবং বুধবার (আজকে) আলোচনায় বসার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর মাঝে ছাত্রলীগ নেতাদের ফাসকৃত ফোনালপে ভিসির আর্থিক দুর্নীতির সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়।