৩০ মার্চ ২০১৯, ১৪:৩২

এবার সড়ক দুর্ঘটনার বলি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র

নিহত শিক্ষার্থী সাজ্জাদ  © সংগৃহীত

ছেলেটা সবসময় সড়ক ও ট্রাফিক আইন সচেতনতা নিয়ে কাজ করেছেন। কিন্তু ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাস, নিজের প্রাণই ঝড়ে পড়ল সড়কে। শুক্রবার রাতে হাটহাজারী উপজেলার মদুনাঘাট এলাকায় অটোরিক্সার সঙ্গে মোটর বাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষে মৃত্য হয় মো. সাজ্জাদের (২৪)।

সাজ্জাদ চট্টগ্রাম নগরীর ২ নম্বর গেইট আল ফালাহ গলির বাসিন্দা ও নাছিরাবাদ ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মোহাম্মদ হোসাইনের ছেলে। সে বেসরকারি প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন বিভাগ থেকে পাশ করে চট্টগ্রাম আদালতে বর্তমানে শিক্ষানুবিস আইনজীবি হিসেবে কর্মরত ছিলেন। নিহতের পারিবারিক সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

পরিবার থেকে বলা হয়, শুক্রবার রাউজানে এক বন্ধুর বিয়ে খাওয়ার নাম করে ঘর থেকে বের হয়েছিল সাজ্জাদ। রাত সাড়ে আটটার সময় মুঠোফোনে খবর আসে সাজ্জাদ এক্সিডেন্ট করেছে। জরুরিভাবে চমেক হাসপাতালে যেতে বলা হয় তাদের।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ জহিরুল ইসলাম বলেন, বন্ধুর বাড়িতে বিয়ে খেয়ে অন্য বন্ধুদের সাথে মোটরসাইকেল যোগে রাউজান থেকে নিজ বাসায় ফিরছিলেন সাজ্জাদ। ফেরার সময় রাত সাড়ে ৮টার দিকে মদুনাঘাট এলাকায় তার মোটরসাইকেলটি একটি সিএনজি অটোরিক্সার সাথে-মুখোমুখি ধাক্কা লাগে। এতে গুরুতর আহত হয় সে। তার সাথে থাকা অন্য বন্ধুরা তাকে উদ্ধার করে চমেক হাসাতালে নিয়ে আসে।

জরুরী বিভাগে কর্মরত চিকিৎসক তার অবস্থা আশঙ্কাজনক দেখে হাসপাতালের আইসিউতে ভর্তি করা হয়। সেখানেই তার মৃত্যু হয় বলে জানান এসআই জহির।

এদিকে তার কলেজের আইন বিভাগের এক সহকর্মী বলেন, মাত্র কিছুদিন আগেও বন্ধুদের সকলকে একত্রিত করে সাজ্জাদ ট্রাফিক ও সড়কের দুর্ঘটনা আইনের সচেতনতা নিয়ে বিভিন্ন কর্মকান্ডে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছে। আজ সে নিজেই সড়ক দুঘর্টনার বলি হলেন। তার মৃত্যুতে সর্বত্র বইছে শোকের ঝড়।