শিক্ষার্থীপিছু বছরে বাজেট ২০০ ডলারে উন্নীত করার দাবি
- টিডিসি রিপোর্ট
- প্রকাশ: ২৪ মার্চ ২০২৫, ০৪:০৪ PM , আপডেট: ২৪ মার্চ ২০২৫, ০৪:৫৪ PM

বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) রিসার্চ ডিরেক্টর ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেছেন, বর্তমানে শিক্ষার্থী প্রতি ব্যয় ১৩৬ ডলার অর্থ্যাৎ ১৬ হাজার ৫৯২ টাকা। পরিসংখ্যানে নিচের দিকে থাকা ১৫ দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১১তম। তাই শিক্ষার্থীদের মাথাপিছু বাজেট ২০০ ডলারে উন্নীত করতে হবে, অর্থ্যাৎ ২৪ হাজার ৪০০ টাকা ব্যয় বাড়াতে হবে।
আজ সোমবার (২৪ মার্চ) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে গণসাক্ষরতা অভিযান ও এডুকেশন ওয়াচ আয়োজিত ‘বৈষম্যহীন বাংলাদেশের প্রত্যাশায় শিক্ষা বাজেট: আমাদের প্রস্তাবনা’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে প্রাক-বাজেট অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।
অনুষ্ঠানে সূচনা বক্তব্য দেন গণসাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে. চৌধুরী, প্রাক-বাজেট প্রস্তাবনা উপস্থাপন করেন ড. মোস্তাফিজুর রহমান। এ ছাড়াও আলোচনা করেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের শিক্ষা কনসালটেশন কমিটির আহ্বায়ক ড. মনজুর আহমদ।
ড. মোয়াজ্জেম বলেন, ‘এ সরকারকে অভিলাষমুক্ত ও রাজনীতি মুক্ত একটি বাজেট ঘোষণা করতে হবে। পাশাপাশি শিক্ষা বাজেটের ওপর একটি পূর্ণ প্রতিবেদনও প্রকাশ করা যেতে পারে। শিক্ষা বাজেটের করা বরাদ্দ ঠিকমতো কেন খরচ করতে পারছে না সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। তাই আলাদাভাবে বাজেট করে বরাদ্দ বাড়াতে হবে। স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাত বরাদ্দ নিয়ে ঠিকমতো খরচও করতে পারছে না। খারাপ বাজেটগুলোর মধ্যে হলো একটি শিক্ষা, অন্যটি স্বাস্থ্য খাতের বাজেট।
তিনি বলেন, ‘এ বাজেটে নারী শিক্ষাকে পূর্ণ সমর্থন করতে হবে। বাজেটে নারীর প্রতি যেন কোন বৈষম্য না হয়। তা নিয়ে আমরা ভয় পাচ্ছি। বর্তমানে শিক্ষার সাথে কর্মসংস্থানের সম্পর্ক খু্বই কম। এক ক্লাস বেশি পড়া মানে বেকার হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। এতে ছেলেদের ক্ষেত্রে তা ১.১৯ শতাংশ ও মেয়েদের ক্ষেত্রে ১.০৭ শতাংশ। ৫৬ শতাংশ শিক্ষার্থী কম্পিউটার শিক্ষার বাইরে।’
তিনি আরো বলেন, ‘বিশ্বে গণিত ও বিজ্ঞানে বাংলাদেশ কোন অবস্থানে রয়েছে? এখনো কেন শিক্ষা কমিশন হলো না? বিভিন্নমুখী শিক্ষা সামাজিক সমস্যা সৃষ্টি করে। তাই একমুখী শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে আসতে হবে। রাজনৈতিক দলগুলোর নির্বাচনী ইশতেহারে শিক্ষা সংক্রান্ত বাজেট যেন দৃশ্যমান হয়। আর নতুন দলের প্রতি তো একটু বেশিই প্রত্যাশা।’