২০ এপ্রিল ২০২০, ০৮:৪৮

জয়পুরহাটে ভার্চুয়াল প্রতিবাদ জানালো প্রগতিশীল ছাত্র জোট

শ্রমজীবী গরিব মানুষদের জন্য পর্যাপ্ত ত্রাণ সহযোগিতা, ত্রাণ নিয়ে দুর্নীতি লুটপাট বন্ধ ও চিকিৎসক-নার্স-স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবিতে জয়পুরহাটে ভার্চুয়াল প্রতিবাদ করেছে জেলা প্রগতিশীল ছাত্র জোট। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে বিভিন্ন দাবি সম্বলিত প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে রবিবার বিকেল থেকে তাদের ব্যাক্তিগত একাউন্টে ও পেইজে ছবি পোস্ট করে জোটের নেতাকর্মীরা।

জয়পুরহাট জেলা ছাত্র জোটের সমন্বয়ক ও সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক রাশেদুজ্জামান রাশেদ, ছাত্র ইউনিয়ন সভাপতি রিফাত আমিন রিয়ন, ছাত্র ফ্রন্ট মার্সবাদী আহ্বায়ক রেহেনা পারভিন, ছাত্র ইউনিয়ন সাধারণ সম্পাদক তাসরিন সুলতানা, ছাত্র ইউনিয়ন সাংগঠনিক সম্পাদক রুবেল হোসেন, কোষাধ্যক্ষ মোমিন হোসেনসহ অনেককে ফেসবুকে পোষ্ট করতে দেখা গেছে।

এ বিষয়ে জেলা ছাত্র জোটের সমন্বয়ক ও ছাত্র ফ্রন্ট সাধারণ সম্পাদক রাশেদুজ্জামান রাশেদ জানান, করোনা পরিস্থিতিতে সরকারের গাফিলতি শুরু থেকেই ছিল। বর্তমান পরিস্থিতিতে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা প্রতিনিয়ত বাড়ছে। বাড়ছে মানুষের কষ্ট ও অসহায়ত্ব। সবচেয়ে কষ্টে আছে নিম্নবিত্ত-শ্রমজীবী মানুষ। মধ্যবিত্ত মানুষও আজ অসহায় জীবন যাপন করছে।

ছাত্র ইউনিয়ন জেলা সভাপতি রিফাত আমিন রিয়ন জানান, মহামারী করোনা ভাইরাসের দূর্যোগ মুহূর্তেও সামান্য বরাদ্দ হওয়া নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য ক্ষমতাসীন দলের নেতারা আত্মসাতের ঘটনা পত্রিকায় দেখা যাচ্ছে। দেশ ও দেশের মানুষকে বাঁচাতে হলে চুরি বন্ধ করে চিকিৎসা সেবায় সর্বোচ্চ বাজেট বরাদ্দ দিতে হবে।

ছাত্র ফ্রন্ট (মার্ক্সবাদী) আহ্বায়ক রেহেনা পারভিন জানান, ডাক্তার,-নার্স সহ পর্যাপ্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করণের পাশাপাশি কলেজ -বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে বিশেষ প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা করে স্বেচ্ছাসেবক টিম গঠন করে সচেতনতামূলক কার্যকর ভূমিকা রাখলে আমরা দ্রুতই এই মহামারী রোগ কোভিড -১৯ থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব বলে মনে করি।

এবিষয়ে নেতৃবৃন্দ জানান, অবিলম্বে নিম্নবিত্ত শ্রমজীবী মানুষের কাছে খাদ্য সরবরাহ ও ত্রাণ নিশ্চিত করতে হবে। ত্রাণ নিয়ে দুর্নীতি লুটপাট বন্ধ করে দোষীদের দ্রুত বিচার ও চিকিৎসক, নার্সসহ স্বাস্থ্যকর্মীদের পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।