০৮ মার্চ ২০২০, ১৫:১৮

৪০০ টাকার কর্মচারী ছিলেন মেজর জিয়া

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানসহ সব বীর উত্তমই ১৯৭১ সালে ৪০০ টাকা পেতেন বলে জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল।

রোববার নিজের ফেসবুক পেজে এক স্ট্যাটাসে তিনি এ কথা জানান। আসিফ নজরুল বলেন, ‘হ্যাঁ '৭১’ সালে মেজর জিয়া ৪০০ টাকার কর্মচারীই ছিলেন। সব বীর উত্তম তাই ছিলেন। বীরশ্রেষ্ঠরা ছিলেন ২৫০ টাকার কর্মচারী। কিন্তু আমরা তাদের চিনি বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে।’

ঢাবির এ অধ্যাপক বলেন, ‘এ দেশের জন্য সবচেয়ে বীরত্বপূর্ণ অবদান উনাদের ছিল। বঙ্গবন্ধু এ স্বীকৃতি দিয়ে গেছেন। বীরশ্রেষ্ঠ আর বীর উত্তম খেতাব তিনি দিয়ে গেছেন।’

চারশ টাকা বেতনের সরকারি কর্মচারীকে স্বাধীনতার ঘোষক সাজানো হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, স্বাধীনতার ঘোষক যাকে সাজানো হয়েছে, সে সরকারের চারশ টাকা বেতনের কর্মচারী ছিল। কোথাকার কোন মেজর এসে বাঁশিতে ফুঁ দিল আর বাংলাদেশ স্বাধীন হয়ে গেল, এটা কি কখনো সম্ভব? কোনো মেজরের বাঁশির ফুঁতে দেশে যুদ্ধ শুরু হয়নি বা দেশ স্বাধীন হয়নি।

শনিবার (৭ মার্চ) বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ৭ মার্চের ভাষণকে ইউনেস্কো সেরা ভাষণ হিসেবে গ্রহণ করেছে। কিন্তু সেই ভাষণকেই বাজানোর জন্য বাধা দিয়েছেন জিয়া-এরশাদ-খালেদা। তারা যখন ক্ষমতায় ছিলেন বারবার ইতিহাস বিকৃতি করেছেন।

শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে এ বছরের ১৭ মার্চ থেকে ২৬ মার্চ ২০২১ সময়কে মুজিববর্ষ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। আমরা বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত কাজ বাস্তবায়ন করছি। তিনি যে সোনার বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন, বাঙালি জাতির জন্য যে উন্নত জীবনের কথা ভেবেছিলেন, তার সেই স্বপ্নকে আজ আমরা বাস্তবে রূপ দিচ্ছি।

তিনি বলেন, ৭ মার্চের ভাষণের পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছিলেন আমার মা। মা বলেছিলেন, এ দেশের মানুষের মন তুমি বুঝো। তোমার মনে যা আসবে তুমি তাই বলবে।

তিনি আরও বলেন, মুজিববর্ষে সব গৃহহীন মানুষকে আমরা ঘর করে দেব। এ বাংলার মাটিতে কোনো মানুষ গৃহহীন থাকবে না।