নৌকার বৈঠা পেয়ে ঢাবি ছাত্রের আবেগঘন স্ট্যাটাস
আসন্ন পঞ্চম উপজেলা নির্বাচনের তৃতীয় ধাপে কচুয়া উপজেলা চেয়ারম্যান পদে আবারো মনোনয়ন পেয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সাবেক ছাত্র মো. শাহজাহান (শিশির)। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ্ হল ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি। এছাড়াও তিনি ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় কমিটির অন্যতম সদস্য ছিলেন।
এদিকে মনোনয়ন পাওয়ার পর ফেসবুকে এক আবেগঘন স্ট্যাটাসের মাধ্যমে তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং চাঁদপুর ১ আসনের সংসদ সদস্য ড. মহিউদ্দিন খান আলমগীরকে ধন্যবাদ জানান। এছাড়াও তার সমর্থকদের প্রতি আহবান জানান বিরোধীদের প্রতি কঠোর না হয়ে উদারতা প্রদর্শন করে সবার ভালোবাসা অর্জন করতে হবে।
তার ফেসবুক পেজ থেকে স্ট্যাটাসটি দেয়া হলো :
প্রিয় কচুয়াবাসী।
আমার সংগ্রামী সালাম এবং শুভেচ্ছা গ্রহণ করবেন।
মহান রাব্বুল আলামিনের অশেষ কৃপায়, আপনাদের দোয়া এবং আকন্ঠ সমর্থনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা আমাকে কচুয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচনে নৌকার প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করেছেন। যার পিছনে সবচেয়ে বেশি অবদান ছিলো জননেতা মহিউদ্দিন খান আলমগীর স্যারের।
আর যাদের দায়বদ্ধতা আমাকে আরো বেশি দায়িত্বশীল করেছে, তারা হলেন কচুয়ার তৃনমূলের বিভিন্ন পর্যায়ের আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, সেচ্ছাসেবকলীগ, শ্রমিকলীগ, কৃষকলীগ, তাঁতিলীগ, মহিলা আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দ এবং কচুয়ার বিভিন্ন গ্রামের সাধারণ জনগণ। আমার গুরুত্বপূর্ণ সময়ে আপনাদের সমর্থন সত্যি'ই আমাকে মুগ্ধ করেছে, অনুপ্রাণিত করেছে। তাই আপনাদের ঋণ শোধ করার মত সামর্থ্য আমার নেই। শুধু মনে রাখবেন আমরা সবাই যেন একসাথে ভালো থাকতে পারি। গত পাঁচ বছর আপনাদের আনন্দ-বেদনা, বিরহ-মিলন, সংকটের সাথী ছিলাম, আগামী পাঁচ বছরও যেন আপনাদের সুখে-দুঃখের সাথী হতে পারি।
বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ একটি বৃহৎ রাজনৈতিক দল, এই দলে অনেক ত্যাগী এবং পরিশ্রমী নেতা রয়েছেন। কচুয়া থেকে আরো অনেকে দলীয় নমিনেশন ছেয়েছিলেন। তারাও অনেক যোগ্য প্রার্থী ছিলেন। তাদের প্রতি আমার শ্রদ্ধা এবং ভালবাসা। দল যেহেতু আমাকে মনোনীত করেছেন। তাই আমি আপনাদের সাথে নিয়ে জননেতা ড. মহিউদ্দিন খান আলমগীর স্যারের নেতৃত্বে একটি আধুনিক এবং স্বপ্নের কচুয়া বিনির্মান করতে চাই। তাই আপনাদের সহযোগিতা আমি কামনা করছি।
আমার সমর্থকদের প্রতি অনুরোধ রইলো যারা আপনাদের বিভিন্ন সময় হুমকি, দামকি দিয়েছে, কটাক্ষ করেছে ; আবেগের বশবতী হয়ে এহেন কোন কাজ করবেন না যেন আপনাদের অর্জিত এই সম্প্রতি এবং ভালবাসা ম্লান হয়ে যায়। মনে রাখবেন ক্ষমা মহত্ত্বের লক্ষণ, আপনাদের উদারতাই তাদের ভাবের নতুন উদ্রেক ঘটাবে। আমরা আমাদের দলে কেউ কারো প্রতিপক্ষ নয়, আমরা একই মায়ের ঔরসজাত সন্তান। তাই আপনাদের সদয় এবং আন্তরিকতা'ই আমার একান্ত কাম্য।
জয় বাংলা,
জয় বঙ্গবন্ধু।
উল্লেখ্য এবারে নিবার্চনে মনোনয়ন পেতে কচুয়া উপজেলা থেকে মোট ১৩ জন মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করে।