০৬ নভেম্বর ২০১৮, ১৭:০২

হাজী দানেশে ছাত্রলীগের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি

  © সংগৃহীত

দিনাজপুর হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (হাবিপ্রবি) ছাত্রলীগের দুই পক্ষ পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি পালন করেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক এবং বর্তমান উপাচার্যের দ্বন্দ্বকে কেন্দ্র করে কোন্দলে জড়িয়ে পড়েছে ছাত্রলীগ।  এ নিয়ে গতকাল সোমবার ক্যাম্পাসে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ায় বন্ধ হয়ে যায় ক্লাস কার্যক্রম।

জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়টির সাবেক উপাচার্য রুহুল আমিন ও বর্তমান ভিসি আবুল কাশেমের দ্বন্দ্ব দীর্ঘদিনের। এই দ্বন্দ্বকে কেন্দ্র করে শিক্ষকদের মধ্যেও দুটি পক্ষ তৈরি হয়েছে। সাবেক ভিসিপন্থী প্রগতিশীল শিক্ষক ফোরাম গতকাল সকাল ১০টায় ছয় দফা দাবিতে একটি স্মারকলিপি দিয়েছে। এছাড়া সাবেক ভিসিপন্থী ছাত্রলীগের একটি অংশ ছয় দফা দাবিতে প্রথমে প্রশাসনিক ভবনের সামনে এবং পরে ভিসির বাসভবনের সামনে অবস্থান নেয়। একই সময় বর্তমান ভিসিপন্থী ছাত্রলীগের আরেক অংশ ১৩ দফা দাবিতে ক্যাম্পাসে মিছিল করে। একপর্যায়ে ছাত্রলীগের দুই পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হলে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এ সময় পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

প্রগতিশীল শিক্ষক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. বলরাম রায় বলেন, ‘আগামী ৮ নভেম্বরের মধ্যে দাবি বাস্তবায়ন করা না হলে আন্দোলনে যেতে বাধ্য হব।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ছাত্রলীগ নেতা মোমিনুল হক রাব্বী জানান, ‘ভিসি আমাদের ছয়টি দাবির মধ্যে ছাত্রীদের নিরাপত্তা ও আবাসন সংকট নিরসনে নতুন ছাত্রী হল নির্মাণের দাবি মেনে নিয়েছেন।’

বর্তমান ভিসিপন্থী ছাত্রলীগের আকমল আকমান বলেন, ‘প্রগতিশীল শিক্ষক ফোরামের নামধারী কিছু শিক্ষক বেশ কয়েক বছর ধরে রেজিস্ট্রার এবং ভাইস চ্যান্সেলরকে লাঞ্ছিত করেছে। এক থেকে দেড় বছর আগে ডিগ্রি পরিবর্তনের একটি আন্দোলন হয়েছিল, সে সময় একজন শিক্ষক মেয়েদের এবং সাধারণ শিক্ষার্থীদের গায়ে হাত দিয়েছিল, সেটার বিচার হয়নি। তাই শিক্ষক ফোরাম নামধারীদের আগামী দুই দিনের মধ্যে অব্যাহতি না দেওয়া হলে বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক দেওয়া হবে।’

হাবিপ্রবির রেজিস্ট্রার শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘ছাত্রলীগের দুটি পক্ষ ক্যাম্পাসে কর্মসূচি পালন করেছে এবং প্রগতিশীল শিক্ষক ফোরাম স্মারকলিপি দিয়েছে।’