আগামী শিক্ষাবর্ষে ভারতের স্কুলে ছুটির তালিকায় বড় পরিবর্তন
নতুন বছরের শিক্ষাবর্ষে পঠন-পাঠনের জন্য বরাদ্দ থাকছে ২৩৬ দিন। তবে যে সব স্কুলে মাধ্যমিকের সিট পড়বে সেখানে ২২৭ দিন ও যেখানে উচ্চ মাধ্যমিকের সিট পড়বে সেখানে ২২৩ দিন স্কুলের ক্লাস হবে। এছাড়া সরকারি ও সরকার পোষিত স্কুলগুলোতে আগামী বছর ছুটি থাকছে মোট ৬৫ দিন।
সম্প্রতি শিক্ষা দফতরের থেকে প্রকাশিত আগামী শিক্ষাবর্ষে স্কুলের ছুটির তালিকা থেকে এই তথ্য জানা গেছে। পরের বছর গরমের ছুটি থাকবে ২৪ মে থেকে ৩ জুন পর্যন্ত, অর্থাৎ ১৪ দিন। যা আগের বছরগুলোর তুলনায় কম। কিন্তু সে তুলনায় পূজার ছুটি পাওয়া যাবে অনেকদিন বেশি। অক্টোবর মাসের ১১ তারিখ থেকে ছুটি শুরু হয়ে তা শেষ হবে ৯ নভেম্বরে। অর্থাৎ মোট ২৬ দিন থাকবে পূজার ছুটি।
হিন্দুসটাইমস বাংলার এক প্রতিবেদন জানানো হয়েছে, পরের বছর স্কুলের ছুটির তালিকায় মিলবে নতুন দুটি সরকারি ছুটি। ঠাকুর পঞ্চানন বর্মার জন্মদিন উপলক্ষে ১৮ ফেব্রুয়ারি এবং হরিচাঁদ ঠাকুরের জন্মদিন উপলক্ষে ছুটি থাকবে ৯ এপ্রিল। ২০২১ সাল থেকে রাজ্যের ছাত্রছাত্রীরা ছট পূজার ছুটি পাবে পরপর দু’দিন। এছাড়া ১৩ জুলাই নেপালি কবি ভানুভক্তের জন্মদিবস উপলক্ষে দার্জিলিং এবং কালিম্পং জেলার স্কুলগুলি ছুটি থাকবে।
২০২১ সালের শিক্ষাবর্ষ থেকে বছরে ৫ দিন অতিরিক্ত ছুটি নিতে পারবে স্কুলগুলো। সেই ছুটি কবে নেওয়া হবে তা স্কুল পরিচালন সমিতি ও শিক্ষক-শিক্ষিকাদের মিলে ঠিক করতে হবে।
আর যে সব স্কুলে মাধ্যমিক পরীক্ষার সিট পড়বে সেখানে ৯ দিন এবং যেখানে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার সিট পড়বে সেখানে ১৩ দিন অতিরিক্ত ছুটি থাকবে। নতুন বছরের শিক্ষাবর্ষে পঠন-পাঠনের জন্য বরাদ্দ থাকছে ২৩৬ দিন। তবে যে সহ স্কুলে মাধ্যমিকের সিট পড়বে সেখানে ২২৭ দিন ও যেখানে উচ্চ মাধ্যমিকের সিট পড়বে সেখানে ২২৩ দিন স্কুল হবে।
স্কুল শিক্ষা দফতরের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, মহামারী পরিস্থিতি চলার সময় যদি কোনও ছুটি পড়ে তবে সেই ছুটি পরবর্তী সময় আর নেওয়া যাবে না। সম্প্রতি শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, রাজ্যে ১ জুন থেকে শুরু হবে মাধ্যমিক পরীক্ষা। আর উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা শুরু হবে ১৫ জুন থেকে। চলবে ৩০ জুন পর্যন্ত।