১৭ মার্চ ২০২০, ২০:০২

মিনিটেই মিলবে সারাবিশ্বের চাকরিসহ স্কলারশিপের তথ্য

  © টিডিসি ফটো

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে চালু হয়েছে ক্যারিয়ার এডভাইজারি সার্ভিস সেন্টার।

মঙ্গলবার (১৭ই মার্চ) দুপুরে এই এডভাইজারি সার্ভিস সেন্টারের উদ্বোধন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এর উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড.মু.আবুল কাসেম।

এ সময় ভাইস-চ্যান্সেলর বলেন, জাতির জনকের শততম জন্মদিনে শিক্ষার্থীদের জন্য এটি আমার উপহার। বঙ্গবন্ধু সারাজীবন মানুষের কল্যানার্থে নিজেকে আত্মোৎসর্গ করে গেছেন। বঙ্গবন্ধুর একজন সৈনিক হিসেবে সেকারনেই আমি আজকের এই বিশেষ দিনটি বেছে নিয়েছি ‘ক্যারিয়ার এডভাইজারি সার্ভিস সেন্টার’ এর উদ্বোধনের জন্য। যতদিন এই বিশ্ববিদ্যালয় থাকবে ততদিন এই সার্ভিস সেন্টার সকলকে সেবা দিয়ে যাবে বলে জানান তিনি।

ভাইস চ্যান্সেলর আরও বলেন, মুজিববর্ষ উপলক্ষে বিশেষ যে তিনটি কাজ করা হয়েছে তার সব গুলোই গুরুত্বপূর্ণ। আজ যে ক্যারিয়ার এডভাইজরি সেন্টার চালু হল তা বিদেশের অনেক দেশেই রয়েছে। বাংলাদেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় গুলোর মধ্যে আমরাই প্রথম এ সেন্টার চালু করলাম। এখান থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষার্থীরা উপকার পাবে। এখানে দেশ-বিদেশের সরকারি-বেসরকারিসহ সকল চাকুরী এবং স্কলারশিপের তথ্য পাওয়া যাবে মিনিটেই। চাকরি বা স্কলারশিপ খোঁজার জন্য ঘন্টার পর ঘন্টা ধরে আর সময় নষ্ট করতে হবে না ছাত্র-ছাত্রীদের। সব কিছুর তালিকা আলাদাভাবে ফাইল করে সাজানো থাকবে এই সার্ভিস সেন্টারে। ফলে সব কিছু হাতের মুঠোয় চলে আসবে এবং নিজেদের আরও বিকশিত করার সুযোগ পাবে শিক্ষার্থীরা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা বিভাগের পরিচালক প্রফেসর ড.ইমরান পারভেজ এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ট্রেজারার প্রফেসর ড.বিধান চন্দ্র হালদার, রেজিস্ট্রার বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রফেসর ডা.মো.ফজলুল হক,জনসংযোগ ও প্রকাশনা শাখার পরিচালক প্রফেসর ড. শ্রীপতি সিকদার,হিসাব শাখার পরিচালক প্রফেসর ড.মো.শাহাদত হোসেন খান, আইআরটি পরিচালক প্রফেসর ড. মো. তারিকুল ইসলাম,প্রক্টর প্রফেসর ড.মো.খালেদ হোসেন প্রমুখ।

সভাপতির বক্তব্যে রেজিস্ট্রার মুক্তিযোদ্ধা প্রফেসর ডা.মো.ফজলুল হক বলেন, আজকের দিনে বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকলে বয়স হতো ১০০ বছর। বেঁচে থাকলে তাকে দেখার জন্য এদেশের মানুষ হুমড়ি খেয়ে পড়তো। হামাগুড়ি হলেও তাকে দেখার জন্য মানুষ ভীড় জমাতো। তিনি সবসময় দেশের মানুষের কথা ভাবতেন,দেশকে নিয়ে ভাবতেন। এখন তার সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সেই সোনার বাংলাদেশ গড়ে উঠেছে। যার ছোয়া হাবিপ্রবিতেও এসে পড়েছে। শত বাধা থাকা সত্ত্বেও এই ভিসি স্যারের স্যারের আমলে যেসব উন্নয়ন হয়েছে তা এখন সকলের সামনে দৃশ্যমান।

তিনি যে কয়দিন থাকবেন আমরা তার হাত ধরে আরও অনেক উন্নয়ন দেখতে পারবো বলেও আশা প্রকাশ করেন।

উক্ত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভাগ শিক্ষক-শিক্ষার্থী,কর্মকর্তাসহ হাবিপ্রবি শাখা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।