নতুন পোশাক কিনলেও পরা হয়নি তাদের
সারাদেশ যখন ঈদের আনন্দে ভাসছে, পরিবারের সাথে আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে ঢাকাবাসী ছুটছে নাড়ীর টানে। রাজধানীবাসীর একটি অংশ যখন ঈদ আনন্দে উন্মত্ত, চারদিকে কেনাকাটার ধুম, আপনজনের কাছে ফেরার জন্য করছে প্রাণান্ত চেষ্টা, একই সময়ে এই আনন্দকেই নির্বিঘ্ন করতে পরিবার-পরিজনের আনন্দকে দূরে ঠেলে কর্তব্য পালনে সচেষ্ট পুলিশ সদস্যরা।
শুধু পুলিশই নয়, সেবা ও জরুরি কাজে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পরিবার পরিজনের সাথে ঈদ আনন্দ করার সুযোগ নেই। পরিবর্তে খুশির এই দিনে পালন করতে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।
বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের কর্মি জান সিদ্দিকী রেদুয়ান কোটা সংস্কার চাই (বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ) গ্রুপে একটি স্ট্যাটাস পোস্ট করেছেন। যাতে তাঁদের ত্যাগ তিতিক্ষার কথা উঠে এসেছে। তার স্ট্যাটাসটি পাঠকদের জন্য হুবহু তুলে ধরা হল-
আতর আর পাঞ্জাবিটা কেনা হলেও তা টাংকে রয়ে গেছে, বন্ধের দিন ঘুরে ঘুরে যে ড্রেসটা কেনা হয়েছে তাও রয়ে গেছে আলমারিতে। এক অবসরে হাতে মেহেদী লাগানো হলেও জামাটা পড়া হবে না এই ঈদে। তবু এরই মাঝে পুলিশ এর আনন্দ হলো মানুষের নিরাপত্তা দেওয়া৷ শহর খালি, বাড়ি , ব্যাংক, সরকারি স্থাপনা, পার্ক ,ঈূদের জামাত, ভিভিআইপিদের নিরাপদ রাখা, ঈদে বাড়ি যাবার রাস্তা যানজট মুক্ত রাখা ইত্যাদি ডিউটি নিয়ে ব্যস্ততার মধ্যে পুলিশ এর ঈদ আনন্দ। জ্বী তাদেরও ঈদ ছিল আজ। বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের একজন নগণ্য কর্মি হিসেবে ঘুষখোর, অত্যাচারী, দালাল পুলিশের ভীরে ত্যাগী, সৎ, দেশপ্রেমিক এইসব পুলিশের সকল স্তরের কর্মকর্তা, কর্মচারীদের জানাই ঈদ মোবারক।