১৪ এপ্রিল ২০১৯, ১২:০৯

মাতাল হয়ে নিয়মিত স্ত্রী পেটাতেন জনি ডেপ

  © ফাইল ফটো

নিষিদ্ধ চেতনানাশক খেয়ে নিজের স্ত্রীকে পেটাতেন হলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা জনি ডেপ। সাবেক স্ত্রী আম্বার হার্ড লিখিত এক অভিযোগে ‘পাইরেটস অব দ্য ক্যারিবিয়ান’ তারকার বিরুদ্ধে এমনই অভিযোগ করেছেন। মাত্র ক’দিন আগেই সাবেক স্বামীর বিরুদ্ধে এই স্ত্রী ৫০ মিলিয়ন অর্থাৎ বাংলাদেশি মুদ্রায় ৪৫০ কোটি টাকার মানহানির মামলা করেছেন।

২০১৬ সালের আগস্টে অ্যাম্বার হার্ড স্বামীর বিরুদ্ধে আদালতে ৪৭১ পৃষ্ঠার লিখিত জবানবন্দি দেন। আর তার অংশ বিশেষ গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। অভিনেত্রী অ্যাম্বার হার্ড অভিযোগে বলেন, বিয়ের মাত্র এক বছরের মাথায় আবিষ্কার করি জনি চরমভাবে মাদকাসক্ত। মাঝেমধ্যে জনি এমনভাবে চেতনানাশক মাদক নিত যা নিষিদ্ধ ছিল বা কিছু কিছু অসুখের জন্য চিকিৎসকরা ওষুধ হিসেবে রোগীকে দিতেন।

স্ত্রী আরও বলেন, একাধিকবার চিকিৎসকের কাছে নিয়েছি। জনি যেসব মাত্রার মাদক নিত, তাতে চিন্তিত ছিলাম। সে মাতাল অবস্থায় ভিন্ন মানুষে রূপ নিত। এমতাবস্থায় উন্মাদ হয়ে মারধর করত। আবার স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরলে এসব মনে থাকত না। যেহেতু আমি তাকে ভালোবাসতাম, তাই বিশ্বাস ছিল- সে একদিন এসব বদভ্যাস ছাড়বে, সুস্থ হবে। কিন্তু তা সবই ভুল।

এছাড়াও লিখিত ওই বক্তব্যে তাদের দুই বছরের দাম্পত্য জীবনের নির্যাতনের বর্ণনা উঠে আসে। ২০১৬ সালে একবার আম্বারকে বেদম পিটিয়ে মুখে মুঠোফোন ছুঁড়ে মেরেছিলেন জনি। এ কারণে জনিকে ‘দানব’ বলেও সম্বোধন করেন। তবে জনির নিরাপত্তারক্ষী আদালতে সাক্ষ্য দেন যে, তারা কখনো এমন কিছু দেখেননি এবং হার্ডের শরীরে কখনও কোনো আঘাতের চিহ্নও দেখেননি।

২০১১ সালে ‘দ্য রাম ডায়েরি’ ছবিতে অভিনয় করতে গিয়ে একে-অন্যের প্রেমে পড়েন জনি ডেপ ও আম্বার হার্ড। দুজনে তিন বছর প্রেমের পর ২০১৪ সালে চুপিসারে বাগদান সারেন। আম্বার তার সাবেক স্বামী জনির চেয়ে ২৩ বছরের ছোট। কিন্তু বয়সের তোয়াক্কা না করে ২০১৫ সালে দুজন বিয়ের কাজটাও সেরে ফেলেন। কিন্তু ২০১৭ সালে তাদের ডিভোর্স হয়।