আজ হচ্ছে না বন্দি বিনিময়, যুদ্ধবিরতিও পেছালো
যুদ্ধবিরতির চুক্তির পরও ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় আগামীকাল শুক্রবারের আগে হামলা বন্ধ করবে না ইসরায়েল। এর আগে জিম্মি করা ব্যক্তিদের মুক্তি দেবে না ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসও। গতকাল বুধবার রাতে এএফপিকে এ তথ্য জানিয়েছেন ইসরায়েলের এক কর্মকর্তা।
আজ বৃহস্পতিবার (২৩ নভেম্বর) সকালেই হামাস ও ইসরায়েলের বন্দি বিনিময় চুক্তি এবং যুদ্ধবিরতি হওয়ার কথা ছিল। তাই বড় আশা নিয়ে বুক বেঁধেছিলেন ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনে বন্দিদের স্বজনরা। তবে আবারও আশাহত হতে হলো তাদের। ইসরায়েলের পক্ষ থেকে সাফ জানিয়ে দেয়া হয়েছে, আজ কোনো বন্দিই মুক্তি পাবে না, সেই সাথে যুদ্ধবিরতিও পেছানোর ঘোষণা দেয়া হয়েছে।
ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, শুক্রবারের আগে কোনো পক্ষ থেকেই বন্দি বিনিময় হবে না। একই সাথে আজ যুদ্ধবিরতি কার্যকরের কথা থাকলেও তা শুক্রবার পর্যন্ত পিছিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
কেনো এই বিলম্ব? এর কারণ হিসেবে ইসরায়েল বলছে, এটি অত্যন্ত জটিল একটি প্রক্রিয়া। তাই এটি বাস্তবায়নে সময় লাগছে। তাছাড়া হামাস কাদের মুক্তি দিচ্ছে, সেই নামের তালিকাও ইসরায়েলকে হস্তান্তর করেনি। ফলে বৃহস্পতিবার বন্দি বিনিময় কিংবা যুদ্ধবিরতি কোনোটিই কার্যকর হবে না।
তবে এর আগে, গতকাল হামাসের রাজনৈতিক ব্যুরো কর্মকর্তা মুসা আবু মারজুক জানিয়েছিলেন, চলমান যুদ্ধে সাময়িক যুদ্ধবিরতির চুক্তি বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হবে। ৫০ জিম্মির মুক্তি ও চারদিনের যুদ্ধবিরতির শর্তে ইসরায়েলের সাথে একটি চুক্তিতে পৌঁছানো হয়েছে।
তবে শেষে এসে বেঁকে বসেছে ইসরায়েল। অবশ্য আগে থেকেই ইসরায়েলের কথায় খুব একটা ভরসা ছিল না ফিলিস্তিনিদের। আগেই একাধিকবার চুক্তি ভাঙার রেকর্ড রয়েছে ইসরাইলিদের। তবুও প্রিয় মানুষদের ফিরে পেতে অপেক্ষার প্রহর গুনছেন তারা।