সেনগুপ্তের বাড়ি ভাঙার বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর নজরে আনব: নওফেল
ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের স্মৃতি বিজড়িত দেশপ্রিয় যতীন্দ্র মোহন সেনগুপ্তের বাড়ি ভাঙার পেছনে ‘দুরভিসন্ধি’ রয়েছে বলে মনে করছেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল। তিনি বলেছেন, এ বিষয়টি তিনি বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নজরে আনবেন।
শনিবার চট্টগ্রাম নগরের রহমতগঞ্জে ভেঙে দেওয়া ঐতিহাসিক বাড়িটি পরিদর্শনে গিয়ে এ মন্তব্য করেন তিনি।
উপমন্ত্রী নওফেল বলেন, পুরাতন একটা স্থাপনাকে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করা হয়েছে। মনে হচ্ছে এখানে অন্য কোনো উদ্দেশ্য আছে। আদালতের রায়টা কতটুকু, কি হয়েছে সেটা বিবেচনা করতে হবে। পর্যালোচনা করতে হবে। রায়ের ভিত্তিটা কী সেটা দেখতে হবে।
তিনি বলেন, হঠাৎ করে একটি ঐতিহাসিক ভবন ভেঙে দেওয়া গর্হিত কাজ। এই স্থাপনার হেরিটেজ হিসেবে একটা মূল্য আছে। সেটাকে সম্মান দেখানো উচিৎ ছিল। ভেঙে দেওয়ার পেছনে ভিন্ন কোনো উদ্দেশ্য আছে।
শিক্ষা উপমন্ত্রী বলেন, জায়গাটা যতটুকু জানি অর্পিত সম্পত্তি। আমার সন্দেহ হচ্ছে জেলা প্রশাসনকে পক্ষভুক্ত না করেই এটা বুঝিয়ে দেওয়া হচ্ছিল। অর্পিত সম্পত্তি কীভাবে ব্যক্তি মালিকানায় গেলো সেটাও তদন্ত করে দেখতে হবে।
বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নজরে আনবেন জানিয়ে নওফেল বলেন, যাত্রা মোহন সেন বা জেএম সেন হলে আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজে এসে অনেক অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন। ওনি অনেক আগে থেকেই অবগত আছেন, জেএম সেনের বাড়ির ঐতিহাসিক মূল্য আছে। স্বাভাবিকভাবেই আমি বিষয়টি ওনার দৃষ্টিগোচর করব।