০১ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১১:৪৬

স্বাস্থ্যের ডিজিকে জাফরুল্লাহর চিঠি

  © ফাইল ফটো

স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এবিএম খুরশীদ আলমকে চিঠি দিয়েছেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রর ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। গতকাল সোমবার বিকালে গণমাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে চিঠির বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালে কোভিড-১৯ ও অন্য রোগ নির্ণয়ে মলিকিউলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার আরটিপিসিআর পরীক্ষা ও ব্লাড ট্রান্সফিউশন এবং প্লাজমা সেন্টার চালুর বিষয়ে চিঠি দেয়া হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়, সোমবার বেলা ১টার দিকে অধিদফতরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিকসমূহ) গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালে ফোন করেন। তিনি সংশ্লিষ্টদের জানান, যেহেতু আপনাদের অনুমোদন নেই, তাই আরটিপিসিআর পরীক্ষা, ব্লাড ট্রান্সফিউশন ও প্লাজমা সেন্টার বন্ধ করবেন। আরপিটিসিআর ফর কোভিড-১৯ এবং ব্লাড ট্রান্সফিউশন ও প্লাজমা সেন্টারের জন্য আলাদা অনুমতি চেয়ে চিঠি দিতে হবে। অনুমোদিত হওয়ার আগে কাজ চালু রাখলে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

চিঠিতে মহাপরিচালককে উদ্দেশ করে বলা হয়, ১২ আগস্ট পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিকসমূহ) জি আর কোভিড-১৯ আরটিপিসিআর পরীক্ষা ও প্লাজমা সেন্টার কার্যক্রম চালুর জন্য ই-মেইলে চিঠি দেয়া হয়। কিন্তু আপনাদের পক্ষ থেকে সাড়া না পেয়ে ৩১ আগস্ট পুনরায় চিঠি দিই।

ডা. জাফরুল্লাহ বলেন, অধিদফতরের পরিচালকের (হাসপাতাল) বক্তব্য জনস্বার্থবিরোধী ও অবিবেচনাপ্রসূত। তার বক্তব্য মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী। ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ সরকারের অনুমোদনে গণস্বাস্থ্য জনহিতকর দাতব্য ট্রাস্ট হিসাবে নিবন্ধিত হয় এবং গণস্বাস্থ্য জনহিতকর ট্রাস্টকে ১৫-ডির আওতায় সব ধরনের দান গ্রহণ ও আয়করমুক্ত সুবিধা দেয়া হয়।

তিনি আরো বলেন, সরকার গণস্বাস্থ্য জনহিতকর দাতব্য ট্রাস্টকে সব ধরনের দান গ্রহণ ও আয়করমুক্ত সুবিধা দিয়েছেন। গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতাল, গণস্বাস্থ্য ল্যাবরেটরি ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার, গণস্বাস্থ্য ব্লাড ব্যাংক অ্যান্ড ট্রান্সফিউসন সেন্টার গণস্বাস্থ্য জনহিতকর দাতব্য ট্রাস্টের অধীনস্থ সম্পূর্ণ অলাভজনক সংগঠন।