৩০ জুলাই ২০২৪, ১১:৪১

ডিএমপি’র চিরুনি অভিযানে গ্রেপ্তার ৮৫ শতাংশ শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ

  © সংগৃহীত

কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সংঘর্ষ হয়। এতে দুই শতাধিক মানুষ প্রাণ হারায়। পুড়িয়ে দেওয়া হয় মেট্টোরেল, সেতু ভবন, বিটিভিসহ পুলিশের বিভিন্ন স্থাপনা। এসব ঘটনায় বিএনপি ও জামায়াত-শিবির জড়িত দাবি করে চিরুনি অভিযান শুরু করে ডিএমপি।

কোটা সংস্কার আন্দোলনকে ঘিরে নাশকতার ঘটনায় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) চিরুনি অভিযানে দুই হাজার ৬৩০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

ডিএমপি সূত্রে জানা গেছে, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে ৮৫ শতাংশই শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ। বাকি ১৫ শতাংশ বিএনপি-জামায়াতসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মী।

ডিএমপি সূত্রে আরও জানা যায়, কোটা সংস্কার আন্দোলনে নাশকতার ঘটনায় গত রবিবার পর্যন্ত ডিএমপি'র আটটি ডিভিশনে ২৪৩টি মামলা হয়েছে। এসব মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছেন দুই হাজার ৬৩০ জন। তাদের মধ্যে দুই হাজার ২৮৪ জনই সাধারণ মানুষ ও শিক্ষার্থী। বাকি ৩৪৬ জনের মধ্যে বিএনপির নেতা-কর্মী রয়েছেন ২৬৯ জন, জামায়াত-শিবিরের ৭৩ জন, গণঅধিকার পরিষদের তিনজন ও জাতীয় পার্টির (জেপি-মঞ্জু) একজন রয়েছেন।