১৪ মার্চ ২০২৪, ১২:৩৪

পুরুষের তুলনায় ৭০ শতাংশ কাজ বেশি করেন নারীরা

পুরুষের তুলনায় ৭০ শতাংশ বেশি কাজ নারীরা  © সংগৃহীত

পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি কাজ করেন নারীরা। পুরুষের তুলনায় ৭০ শতাংশ বেশি কাজ নারীরা করে থাকেন। তারা অফিস করেন, বাসায় গিয়ে পারিবারিক কাজ করেন, সন্তানদের লালন পালনও করেন বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। 

বুধবার (১৩ মার্চ) দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা সেন্টার ফর জেন্ডার অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ আয়োজিত ‘এমপাওয়ারিং ফিউচার: ইনভেস্ট ইন উইমেন টুয়ার্ডস স্মার্ট বাংলাদেশ’ শীর্ষক সেমিনারে এ কথা বলেন তিনি।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মায়েদের ক্ষমতায়ন ও উন্নয়ন ঘটাতে হবে। সমৃদ্ধ রাষ্ট্র গঠনের জন্য সবক্ষেত্রে নারীর ক্ষমতায়ন প্রয়োজন। অনেক দেশ উন্নতি লাভ করেছে সেই উন্নয়নের সঙ্গে সমাজ বস্তুকেন্দ্রিক ও মানুষ আত্মকেন্দ্রিক হয়ে যাচ্ছে। আমরাতো এমন একটি প্রজন্ম তৈরি করতে চাই না। আমরা এমন একটি রাষ্ট্র ব্যবস্থা চাই যা হবে মানবিক, মানুষের আত্মিক উন্নয়ন ঘটাতে হবে। নৈতিক উন্নতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি আরো বলেন, নারীদের নলেজের দিকে তাকানো উচিত। এটি না হলে তার সন্তানদের শিক্ষা দিতে পারবেন না। স্কুলের শিক্ষা বা সার্টিফিকেটের শিক্ষার কথা বলছি না। ফিন্যান্সিয়াল এমপাওরম্যান্ট গুরুত্বপূর্ণ। চাকরিতে শিক্ষায় নেতৃত্ব যারা দিচ্ছেন তারা ফিন্যান্সিয়ালি এমপাওয়ারড। আমরা স্মার্ট বাংলাদেশের কথা বলছি। সেই জায়গায় নারীদের এগিয়ে আনতে হবে। নারীদের টেকনোলজিক্যাল এমপাওয়ারড করা লাগবে।

বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজের মহাপরিচালক বিনায়ক সেন বলেন, শক্তিশালী নারী নেতৃত্বের পেছনে এনজিওগুলোর অবদান নেই। একটা সময় সিনেমা হয়েছে সত্যজিৎ রায়ের, যেখানে নানা নারী চরিত্রের কথা বলা হয়েছে। আমাদের দেশে নারীরা আনপেইড কাজের সঙ্গে বেশি যুক্ত। 

আরও পড়ুন: কত টাকা হলে মুক্তি পাবেন জাহাজে জিম্মি ২৩ বাংলাদেশি নাবিক

তিনি বলেন, গবেষণায় দেখা যায় নারীরা ৫০ শতাংশ এসব কাজের সঙ্গে যুক্ত। পুরুষদের অংশগ্রহণ নেই। শ্রমবাজারে বাংলাদেশের নারীদের অংশগ্রহণ মাত্র ৪২ শতাংশ।

‘এমপাওয়ারিং ফিউচার: ইনভেস্ট ইন উইমেন টুয়ার্ডস স্মার্ট বাংলাদেশ’ শীর্ষক সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন– পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এ এস এম মাকসুদ কামাল, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক জিয়া রহমান, যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনিম, বাংলাদেশ অ্যালায়েন্স ফর উইমেন লিডারশিপের সভাপতি নাসিম ফেরদৌস, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজের মহাপরিচালক বিনায়ক সেন, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা সেন্টার ফর জেন্ডার অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজের পরিচালক অধ্যাপক তানিয়া হক, ফ্যাশন ডিজাইনার বিবি রাসেল, অভিনেত্রী শমি কায়সার প্রমুখ।