২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ০৮:৪৮

ক্যাম্পাস ইউনিট গঠন ও আালাদা মেডিকেল কলেজ চায় পুলিশ

পুলিশ সপ্তাহ-২০২৪ শুরু হচ্ছে আজ থেকে  © সংগৃহীত

পুলিশ সপ্তাহ-২০২৪ শুরু হচ্ছে আজ থেকে। ছয় দিনব্যাপী এবারের পুলিশ সপ্তাহের মূল প্রতিপাদ্য- ‘স্মার্ট পুলিশ স্মার্ট দেশ, শান্তি প্রগতির বাংলাদেশ’। পুরোনো দাবির পাশাপাশি এবার থাকছে নতুন কিছু প্রস্তাবনা। তুলে ধরা হবে ক্যাম্পাস পুলিশ ইউনিট গঠনের প্রয়োজনীয়তার কথা। এছাড়া আালাদা মেডিকেল কলেজ চায় পুলিশ। 

মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে সকাল সাড়ে দশটায় প্রধান অতিথি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পুলিশ সপ্তাহ উদ্বোধন করবেন। তিনি পুলিশের বিভিন্ন কন্টিনজেন্ট ও পতাকাবাহী দলের নয়নাভিরাম, সুশৃঙ্খল ও দৃষ্টিনন্দন প্যারেড পরিদর্শন করবেন এবং তাদের অভিবাদন গ্রহণ করবেন। 

এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ পুলিশ নারী কল্যাণ সমিতির (পুনাক) স্টল পরিদর্শন করবেন। তিনি পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশে কল্যাণ প্যারেডে ভাষণ দেবেন।

বিভিন্ন কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ এবার বাংলাদেশ পুলিশের ৪০০ সদস্যকে পুরস্কৃত করা হবে। পুলিশ সপ্তাহ-২০২৪ উপলক্ষে গত ১ ডিসেম্বর ২০২২ থেকে ১০ জানুয়ারি ২০২৪ পর্যন্ত অসীম সাহসিকতা ও বীরত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ ৩৫ জন পুলিশ সদস্যকে ‘বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম)’, ৬০ জনকে ‘রাষ্ট্রপতি পুলিশ পদক (পিপিএম)’ এবং গুরুত্বপূর্ণ মামলার রহস্য উদঘাটন, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, দক্ষতা, কর্তব্যনিষ্ঠা, সততা ও শৃঙ্খলামূলক আচরণের মাধ্যমে প্রশংসনীয় অবদানের জন্য ৯৫ জন পুলিশ সদস্যকে ‘বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম)-সেবা’ এবং ২১০ জনকে ‘রাষ্ট্রপতি পুলিশ পদক (পিপিএম)-সেবা’ পদকে ভূষিত করা হবে।

এসব পদক পুলিশের চাকরিতে খুবই সম্মানজনক হিসেবে বিবেচিত। কর্মকর্তারা এর জন্য আর্থিক সুবিধাও পান এবং নামের শেষে এই পদক উপাধি হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন।

পুলিশ সপ্তাহে কিছু দাবি উত্থাপন করা হবে। এর মধ্যে রয়েছে গাড়ি কিনতে সুদমুক্ত ঋণ ও স্বতন্ত্র পুলিশ বিভাগের দাবি। স্বতন্ত্র পুলিশ বিভাগের দাবি জানানো হচ্ছে। এর আগে একই দাবি উত্থাপন করা হয়েছিল। এ ছাড়া পুলিশ পরিদর্শক থেকে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ঝুঁকি ভাতা চাওয়া হবে। এখন কনস্টেবল থেকে উপপরিদর্শক পর্যন্ত সদস্যরা ঝুঁকি ভাতা পান। পুলিশের পদোন্নতি ও পদায়নের জট কাটানোর ব্যাপারে বেশ কিছু দাবি-দাওয়া থাকছে।  

পুলিশ সপ্তাহ-২০২৪ এর ব্যাপারে জানতে চাইলে পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো. আসাদুজ্জামান সমকালকে বলেন, সুপার নিউমারারির ৩৬৫টি পদ দেওয়ায় আমরা খুশি। তবে একবার দিলেই পুলিশের পদোন্নতিজটের সমাধান হবে না। বয়স ও ব্যাচভিত্তিক পদোন্নতি, পদায়ন না করলে এ সমস্যা থেকে বের হওয়া যাবে না। ক্যাম্পাসের জন্য পুলিশ ইউনিট গঠন করা হলে সেখানকার যে কোনো সমস্যা দ্রুত সমাধানে তারা কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে।