২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১৪:৩২

চালের বস্তায় লিখতে হবে ওজন-মূল্য ও জাত

চালের দামসহ সব তথ্য লিখতে হবে বস্তায়  © সংগৃহীত

চালের বস্তায় ধানের জাত, মিলারের নাম-ঠিকানা, ওজন ও মিলগেট মূল্য লিখতে হবে। সেই সাথে লিখতে হবে উৎপাদনের তারিখ ও প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানের নাম। চালের বস্তায় বর্ণনা বিষয়ে এসব লেখা থাকতে হবে বলে নির্দেশনা দিয়েছে খাদ্য মন্ত্রণালয়। আগামী ১৪ এপ্রিল থেকে এ নির্দেশ আবশ্যিকভাবে প্রতিপালন করতে হবে বলে জানিয়েছে খাদ্য মন্ত্রণালয়।

বুধবার (২১ ফেব্রুয়ারি) খাদ্য মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সংগ্রহ শাখা থেকে এমন একটি নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। 

জারি করা এ পরিপত্রে বলা হয়েছে, সম্প্রতি দেশের চাল উৎপাদনকারী কয়েকটি জেলা পরিদর্শন করে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে- বাজারে একই জাতের ধান থেকে উৎপাদিত চাল ভিন্ন ভিন্ন নামে ও দামে বিক্রি করা হচ্ছে। চালের দাম অযৌক্তিক পর্যায়ে গেলে বা আকস্মাৎ বেড়ে গেলে মিলার, পাইকার ও খুচরা বিক্রেতা- একে অপরকে দোষারোপ করেন। এতে ভোক্তারা ন্যায্যমূল্যে পছন্দমতো জাতের ধান-চাল কিনতে অসুবিধার সম্মুখীন হচ্ছেন এবং অনেক ক্ষেত্রে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

পরিপত্রে আরো বলা হয়েছে, এ অবস্থার উত্তরণের লক্ষ্যে চালে বাজার মূল্য সহনশীল ও যৌক্তিক পর্যায়ে রাখতে ধানের নামেই যাতে চাল বাজারজাতকরণ করা হয় তা নিশ্চিত করার উদ্দেশে এবং এ সংক্রান্ত কর্যক্রম মনিটরিংয়ের সুবিধার্থে নির্দেশনায় কয়েকটি বিষয় নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে।

নির্দেশনা অনুযায়ী, চালের উৎপাদনকারী মিলাররা গুদাম থেকে বাণিজ্যিক কাজে চাল সরবরাহের প্রাক্কালে চালের বস্তার ওপর উৎপাদনকারী মিলের নাম, জেলা ও উপজেলার নাম, উৎপাদনের তারিখ, মিল গেট মূল্য এবং ধান বা চালের জাত উল্লেখ করতে হবে।

এক্ষেত্রে বস্তার ওপর সংশ্লিষ্ট এসব তথ্য কালি দিয়ে হাতে লেখা যাবে না বলেও নির্দেশ দিয়েছে খাদ্য মন্ত্রণালয়। পরিপত্রে বলা হয়েছে, চাল উৎপাদনকারী সব মিল মালিকের (অটো বা হাস্কিং) সরবরাহ করা সব প্রকার চালের বস্তা বা প্যাকেটের (৫০/২৫/১০/৫/২/১ কেজি ইত্যাদি) ওপর সংশ্লিষ্ট এসব তথ্যাদি মুদ্রিত করতে হবে। একই নির্দেশনা করপোরেট প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রেও প্রতিপালন করতে হবে। এক্ষেত্রে মিল গেটের দামের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠান চাইলে সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য উল্লেখ করতে পারে।

আরও পড়ুন: সুন্নতে খৎনা করাতে গিয়ে আয়ানের পর এবার আইডিয়াল ছাত্রের মৃত্যু

এতে আরো বলা হয়েছে, এই পরিপত্রের আলোকে সব জেলা প্রশাসক/উপজেলা নির্বাহী অফিসার/ আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক/জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক/উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক/খাদ্য পরিদর্শকরা পরিদর্শনকালে এ বিষয়টি নিশ্চিত করবেন। এর ব্যত্যয় ঘটলে, খাদ্যদ্রব্য উৎপাদন, মজুত, স্থানান্তর, পরিবহন, সরবরাহ, বিতরণ, বিপণন (ক্ষতিকর কার্যক্রম প্রতিরোধ) আইন, ২০২৩-এর ধারা ৬ ও ধারা ৭ মোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।