১৭ ডিসেম্বর ২০২৩, ০৯:৪৭

পঞ্চগড়ে শীত ও ঘন কুয়াশায় বিপর্যস্ত জনজীবন

পঞ্চগড়ে শীত ও ঘন কুয়াশায় বিপর্যস্ত জনজীবন  © সংগৃহীত

সারাদেশে শীতের হিমেল হাওয়া বয়ে চলছে। সময়ের সাথে সাথে বাড়ছে শীতের তীব্রতা। সেই সঙ্গে দেশের উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলের বেশ কিছু অঞ্চলে ঘন কুয়াশায় ছেয়ে গেছে। এরই মধ্যে কুড়িগ্রামে জেঁকে বসেছে শীত। তাপমাত্রা নেমেছে ১০ ডিগ্রিতে। শীতে কাতর হয়ে পড়েছে নিম্ন আয়ের মানুষ। আবহাওয়া অফিস বলছে চলতি মাসের শেষের দিকে তাপমাত্রা আরও কমে আসবে।

রোববার (১৭ ডিসেম্বর) সকাল ৯টায় তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাসেল শাহ এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, সকাল ৯ টায় সর্বনিম্ন ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। এর আগে গতকাল শনিবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৯ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে শনিবার সন্ধ্যার পর থেকে জেলাজুড়ে তীব্র শীত অনুভূত হচ্ছে।

আবহাওয়া অফিস ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সন্ধ্যার পর থেকে শুরু হয় ঘনকুয়াশা আর উত্তরের হিমবাতাস। এতে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। তীব্র শীতে খেটে খাওয়া মানুষের চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে বসবাসরত ছিন্নমুল নিম্ন আয়ের মানুষগুলো গরম কাপড়ের অভাবে চরম দূর্ভোগে পড়েছেন।

ঘন কুয়াশা আর প্রচণ্ড ঠাণ্ডা বাতাসে দিনের বেলায়ও ক্ষেতে খামারে স্বাভাবিক কাজকর্ম করতে পারছে না কৃষকসহ খেটে খাওয়া মানূষ। সকাল থেকে গভীর রাত অবধি খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন তারা। 

এদিকে, রোববার দেশের নদী অববাহিকায় কুয়াশার কারণে দৃষ্টিসীমা কোথাও কোথাও ৫০০ মিটারেরও কম থাকতে পারে বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি। এই অবস্থায় আজ অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। 

তবে মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের উত্তরাঞ্চল এবং নদী অববাহিকায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা এবং দেশের অন্যত্র হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে। আর এই সময়ে সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে বলেও পূর্বাভাস দেয়া হয়েছে।