দেশে শীতের তীব্রতা বাড়ছে, তাপমাত্রা নেমেছে ১১ ডিগ্রিতে
দেশে শীতকাল তার অস্তিত্বের জানান দিতে শুরু করেছে পুরোদমে। বিশেষ করে উত্তরাঞ্চলে শীতের তীব্রতা ব্যাপক।
রাত নামলে শীতল আবহাওয়ার ঘনত্ব আরও বাড়ছে। তার সাথে যোগ হয়েছে ঘন কুয়াশা। ঘন কুয়াশার কারণে সকালে সড়কে চলা যানবাহনগুলোকে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করতে দেখা গেছে।
এরই ধারাবাহিকতায় আজ সোমবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে নওগাঁর বদলগাছীতে। এই অঞ্চলের আজকের তাপমাত্রা ১১ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা চলতি মৌসুমে এখন পর্যন্ত দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। তবে তাপমাত্রা আরও নিচে নামার সম্ভাবনাও রয়েছে নওগাঁ বদলগাছি আবহাওয়া অধিদফতরের উচ্চ পর্যবেক্ষক হামিদুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বদলগাছী আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র সূত্রে জানা গেছে, আগের দিনের তুলনায় আজ তাপমাত্রা দুই দশমিক ছয় ডিগ্রি সেলসিয়াস কম। রবিবার বদলগাছীতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১৪ দশমিক ডিগ্রি সেলসিয়াস।
তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় অনুভূত হচ্ছে কনকনে শীতে। বেড়েছে মানুষের ভোগান্তি। সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষ। হঠাৎ করে তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় স্থানীয় মানুষ এ আবহাওয়ার সঙ্গে খাপ খাওয়াতে হিমশিম খাচ্ছেন।
আবহাওয়াবিদদের তথ্যানুযায়ী, তাপমাত্রা ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নামলে শীত অনুভূত হয়। গতকাল রোববার তেঁতুলিয়া ছাড়া দেশের বেশ কিছু অঞ্চলে তাপমাত্রা কম ছিল। এর মধ্যে ১৪ থেকে ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে তাপমাত্রা ছিল দিনাজপুর, নওগাঁর বদলগাছী, নীলফামারীর সৈয়দপুর ও বগুড়ায়। দেশের আরও কিছু অঞ্চলের তাপমাত্রা ১৫ থেকে ১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ছিল। আর ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে এসেছিল ১৭ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।
অন্যদিকে গতকাল দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে কক্সবাজারের টেকনাফে, ৩০ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ২৫ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের এক মাসের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে— চলতি ডিসেম্বর মাসের শেষের দিকে দেশের কোথাও কোথাও এক থেকে দুটি মৃদু বা মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে।