০১ অক্টোবর ২০২৩, ১০:২৩

উপবৃত্তির আওতায় আসছে বিলুপ্ত ছিটমহলের সব শিক্ষার্থী

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর  © ফাইল ছবি

বিলুপ্তির প্রায় ৯ বছর পর বিলুপ্ত ছিটমহলের শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির আওতায় আনার উদ্যোগ নিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। এ জন্য আগামী ১০ অক্টোবরের মধ্যে তথ্য পাঠানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়। বিলুপ্ত ছিটমহলের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বহু শিক্ষার্থী এতদিন সরকারের উপবৃত্তি সুবিধা বঞ্চিত ছিল।

মাউশি থেকে বিলুপ্ত ছিটমহলের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও শিক্ষার্থীদের তথ্য চেয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে। উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো চিঠিতে ১০ অক্টোবরের মধ্যে সব তথ্য পাঠানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা তাঁর আওতাধীন উপজেলার বিলুপ্ত ছিটমহলের পাঠদানের অনুমতিপ্রাপ্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তথ্যের তালিকা নির্ধারিত ছকে পাঠাবেন।

পরবর্তীতে কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নতুন করে পাঠদানের অনুমতি পেলে সংশ্লিষ্ট উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তথ্যও পাঠাবেন। ওয়েবসাইটে থাকা নির্ধারিত ছকে বিভাগ, জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন, গ্রাম, ই-আইআইএন নম্বর ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম পাঠাতে হবে। তালিকাসহ তথ্যের হার্ডকপি ডাকযোগে এবং সফট কপি ই-মেইলে (hsp@pmeat.gov.bd) পাঠাতে বলা হয়েছে।

আরো পড়ুন: প্রতিষ্ঠার ১০ বছরেও ভাড়া বাসায় চলছে ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম

২০১৫ সালের ৩১ জুলাই বাংলাদেশ-ভারত ছিটমহল বিনিময় হয়। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্ত হয় ভারতের ১১১টি ছিটমহল। আর ভারতের সঙ্গে যুক্ত হয় বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহল। ১১১টি ছিটমহলের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের শতভাগ উপবৃত্তির আওতায় আনতে সরকার উদ্যোগ নিয়েছে।