০৭ আগস্ট ২০২৩, ২২:০৩

অ্যালাইড হেলথ শিক্ষাবোর্ড আইনের খসড়া অনুমোদন

মন্ত্রিসভার বৈঠক  © সংগৃহীত

এমবিবিএস, বিডিএস, নার্সিং, ফার্মেসির বাইরের স্বাস্থ্য শিক্ষা পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণে ‘বাংলাদেশ অ্যালাইড হেলথ শিক্ষাবোর্ড আইন-২০২৩’ এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। আজ সোমবার (৭ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

বৈঠক শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন বলেন, বাংলাদেশে স্বাস্থ্য শিক্ষার কাঠামোতে এমবিবিএস, বিডিএস, নার্সিং, ফার্মেসি- এই জাতীয় শিক্ষার সুনির্দিষ্ট কাঠামো আছে। এগুলো পরিবীক্ষণ ও মান নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা আছে। কিন্তু এর বাইরে কিছু শিক্ষা থাকে। সেগুলোর মান নিয়ন্ত্রণ, পরীক্ষা পদ্ধতি, পাঠ্যসূচির ভালো কাঠামো নেই। এসব প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা এত বেড়ে গেছে যে তা নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়েছে। সেই বাস্তবতার আলোকে এ আইনটি উপস্থাপন করা হয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, এরইমধ্যে বাংলাদেশে ম্যাটস, আইএইচটির মতো তিন শতাধিক প্রতিষ্ঠান আছে, যারা হেলথ খাতে কাজ করছেন। অ্যালাইড হেলথ ব্যবস্থায় যখন কেউ সেবা নিতে চাইবে, তখন ফি আদায় করে তারা আয় করতে পারবেন।

এই আইনের অধীনে একটি বোর্ড থাকবে, সেই বোর্ড এমবিবিএস, বিডিএস, নার্সিং, মিডওয়াইফারি, ফার্মেসি শিক্ষার বাইরে অন্য সহযোগী চিকিৎসা শিক্ষা ও অ্যালাইড হেলথ শিক্ষা কার্যক্রম মনিটর করবে। সেই দায়িত্ব দিয়ে এই বোর্ড গঠন করা হবে।

তিনি বলেন, এই বোর্ডটির একজন চেয়ারম্যান থাকবে। এছাড়া মন্ত্রণালয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা অনুষদ ও বিভিন্ন মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট ডিন পরিচালক থাকবেন। সরকারি মেডিকেল কলেজের একজন প্রিন্সিপাল ও সরকারি ডেন্টাল কলেজের একজন প্রিন্সিপালও থাকবেন। বেসরকারি মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট ট্রেনিং ইনস্টিটিউট থেকে একজন ও হেলথ টেকনোলজি থেকেও একজন থাকবেন। এভাবে ১৬ ক্যাটাগরির লোকজন বোর্ডে থাকবেন। তারা এই বোর্ড পরিচালনা করবেন।

বোর্ডের চেয়ারম্যান হবেন প্রধান নির্বাহী। আর রেজিস্ট্রার বলে একটি পদ থাকবে, যিনি প্রশাসনিক কাজের দায়িত্ব পালন করবেন। সরকার অনুমোদিত নির্দিষ্ট একটি অর্গানোগ্রাম থাকবে। সে অনুযায়ী নিয়োগ ও পদোন্নতি কার্যক্রম নিতে পারবেন।