কলকাতায় বাংলাদেশ বইমেলার পর্দা নামলো আজ
কলকাতায় আয়োজিত ১০ দিনব্যাপী বাংলাদেশ বইমেলা শেষ হয়েছে আজ রবিবার। অষ্টম বারের মতো আয়োজিত এই বইমেলা শুরু হয় ২ নভেম্বর । বাংলাদেশে প্রকাশিত বিভিন্ন বই নিয়ে কলকাতার রবীন্দ্র সদনের কাছে ঐতিহ্যবাহী মোহরকুঞ্জ প্রাঙ্গণে বইমেলার এবারের আসর বসে।
বাংলাদেশ বইমেলার এবারের আসরের উদ্বোধন করেছিলেন বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক শামসুজ্জামান খান ও কলকাতা পৌর করপোরেশনের মেয়র পারিষদ দেবাশীষ কুমার। বিশেষ অতিথি ছিলেন অধ্যাপক রতন সিদ্দিকী।
যৌথভাবে এই মেলার আয়োজন করেছে বাংলাদেশ রপ্তানী উন্নয়ন ব্যুরো, কলকাতার বাংলাদেশ উপহাইকমিশন এবং বাংলাদেশ জ্ঞান ও সৃজনশীল প্রকাশক সমিতি। বইমেলায় বাংলাদেশের ৬৯টি প্রকাশনা সংস্থা অংশ নিয়েছে। গত বছর বইমেলায় বাংলাদেশের ৫১টি প্রকাশনা সংস্থা অংশ নিয়েছিল।
বইমেলায় প্রতিদিন ছিল আলোচনা সভা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। ১০ দিনব্যাপী আয়োজিত আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে যোগ দেন বাংলাদেশ ও কলকাতার বিশিষ্টজন ও শিল্পীরা। ৫ নভেম্বর বইমেলায় উদযাপিত হয়েছে শিশু দিবস।
আজ সমাপ্তি অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কলকাতায় নিযুক্ত বাংলাদেশের উপহাইকমিশনার তৌফিক হাসান। আলোচনায় অংশ নেন অধ্যাপক মুনতাসীর মামুন, বাংলাদেশ সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মুজিবুর রহমান আলমামুন ও সরদার মো. কেরামত আলী, অধ্যাপক ইমানুল হক, বাংলাদেশ জ্ঞান ও সৃজনশীল প্রকাশক সমিতির সভাপতি ফরিদ আহমেদ এবং কলকাতার বাংলাদেশ উপহাইকমিশনের প্রথম সচিব (বাণিজ্যিক) মো. সাইফুল ইসলাম প্রমুখ। অনুষ্ঠানে সংগীত ও নৃত্য পরিবেশন করে মুর্শিদাবাদের ‘অন্য নিষাদ’ এবং ‘পুষ্পক’।
কলকাতার বাংলাদেশ উপহাইকমিশনের প্রথম সচিব (বাণিজ্যিক) মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, এবারের বইমেলা বিগত বছরের তুলনায় বেশি জমেছে। বইপ্রেমীরা বেশি এসেছেন। বইও বিক্রি বেশি হয়েছে। বইপ্রেমীরাও বলেছেন, বাংলাদেশের বইয়ের মান এখন অনেক উন্নত। ছাপা, বাঁধাই এবং দাম বইপ্রেমীদের আয়ত্তের মধ্যেই ছিল।