০৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১৭:০২

হুয়াওয়ে হেডকোয়ার্টার থেকে প্রশিক্ষণ পাচ্ছেন ১০ বাংলাদেশি শিক্ষার্থী

  © ফাইল ফটো

সম্প্রতি দেশের পাঁচটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মোট ১০ জন মেধাবী শিক্ষার্থীকে আইসিটি ট্যালেন্ট হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় আইসিটি প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ে। সম্প্রতি ‘সিডস ফর দ্য ফিউচার-২০২০’ শীর্ষক এক ভার্চ্যুয়াল গালা ইভেন্টে এ স্বীকৃতি দেয়া হয়।

বিজয়ীরা হলেন-আফসারা বেনজীর এবং খন্দকার মুশফিকুর রহমান (বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই), তাসনিয়া সুলতানা এবং আবদুল্লাহ আল মিরাজ (চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগ), রাবেয়া তুস সাদিয়া এবং অমিত কর্মকার (রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, সিএসই বিভাগ), আদিবা তাবাসসুম চৌধুরী এবং আরিফুর রহমান (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ইইই বিভাগ) এবং ফারিয়া রহমান এবং ফয়েজ-উল ইসলাম (খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ইইই বিভাগ)।
 
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী, বিশেষ অতিথি ছিলেন ইউনেস্কো বাংলাদেশের প্রধান বিয়াট্রিস কালদুন। হুয়াওয়ের এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের ভাইস প্রেসিডেন্ট শেন মিংজে শুভেচ্ছা বক্তব্যের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়।
 
হুয়াওয়ে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, প্রাথমিক পর্যায়ে মোট ৫শ জন শিক্ষার্থী এই ইভেন্টে অংশ নেন। সিজিপিএ, তাৎক্ষণিক পরীক্ষা এবং নতুন প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনী প্রতিষ্ঠানের ওপর শিক্ষাথীদের দেওয়া প্রেজেন্টেশনের ওপর ভিত্তি করে শেষ পর্যন্ত ১০ জন বিজয়ী নির্বাচিত করা হয়।
 
হুয়াওয়ে বিগত পাঁচ বছর ধরে বাংলাদেশে এই ইভেন্টটি আয়োজন করে আসছে। সাধারণত নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা চীনে একটি দুই সপ্তাহব্যাপী ট্রেনিংয়ে অংশ নিয়ে থাকেন, তবে এবছর কোভিড-১৯ সংক্রান্ত সীমাবদ্ধতার কারণে প্রশিক্ষণ পর্বটি অনলাইনে সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
 
পাঁচ দিনব্যাপী এই অনলাইন প্রোগ্রামে থাকছে ফাইভজি, ক্লাউড কম্পিউটিং, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই), ডিজিটাল ইকোনমি, ইন্ডাস্ট্রি ট্রেন্ড এবং হুয়াওয়ের এক্সপার্ট ও অতিথিদের সঙ্গে লাইভ-স্ট্রিমড সেশন। অন্যদিকে লিডারশিপ স্কিল প্রসঙ্গেও আলোকপাত করা হবে।
 
অনুষ্ঠানে মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল বলেন, প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে এবং বৈশ্বিক প্রযুক্তিগত উৎকর্ষের সঙ্গে তাল মেলাতে আমাদের প্রয়োজন তরুণদের মধ্যে প্রযুক্তিগত জ্ঞান ও দক্ষতার বিকাশ ঘটানো। আর এটা সত্যিই আনন্দের বিষয় যে, বিশ্বের শীর্ষস্থানে থাকা একটি আইসিটি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশের মেধাবীদের প্রযুক্তিগত বিকাশে সহায়তার দায়িত্ব গ্রহণ করছে।