০২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১৯:২৭

ভুল প্রশ্নে ৭ শতাধিক শিক্ষার্থীর পরীক্ষা

  © ফাইল ফটো

দেশের বিভিন্ন জেলার মতো জামালপুরের বিভিন্ন কেন্দ্রেও এসএসসি পরীক্ষার্থীদের ২০১৮ সালের সিলেবাসের প্রশ্ন সরবরাহ করা হয়েছে।এই পরীক্ষা বাতিল করে পুনরায় পরীক্ষা নেয়ার দাবি জানায় শিক্ষার্থীরা। তবে জেলা প্রশাসক বলেছেন, যে ভাবে পরীক্ষা নেয়া হয়েছে সেই ভাবেই মুল্যায়ন করা হবে এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আজ শনিবার সকাল ১০টায় সদর উপজেলার কেন্দুয়ায় বাংলাদেশ উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রেসহ বিভিন্ন কেন্দ্রে শুরুতে নিয়মিত পরীক্ষাদের ২০১৮ সালের অনিয়মিত প্রশ্নপত্র দেয়া হয়। এরপর ২০ মিনিট পর তা পাল্টিয়ে ২০১৯ সালের নিয়মিত প্রশ্ন দেয়া হয়। এতে বিপাকে পড়ে ২১৩ জন পরীক্ষার্থী।পরীক্ষা শেষে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করে।

জানা যায়, একই ঘটনা ঘটে জেলার বকশীগঞ্জ উপজেলার উলফাতুন্নেছা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে। এই কেন্দ্রের ২৯৫ জন পরীক্ষার্থী ২০১৮ সালের অনিয়মিত প্রশ্নে পরীক্ষা দেয়। পরীক্ষা শেষে এখানেও বিক্ষোভ করে শিক্ষার্থীরা। ক্ষুব্ধ পরীক্ষার্থীরা এই পরীক্ষা বাতিল করে পুনরায় নেয়ার দাবি জানান।উপজেলা নির্বাহী অফিসার দেওয়ান মো. তাজুল ইসলাম জানান, এই উপজেলায় অনিয়মিত প্রশ্নে পরীক্ষা দেয়ার পরীক্ষার্থীরা সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

এছাড়াও ইসলামপুর উপজেলার সরকারি নেকজাহান পাইলট মডেল হাই স্কুল কেন্দ্রে ২০০ জন শিক্ষার্ক্ষীকে ২০১৯ সালের পরিবর্তে ২০১৮ সালের প্রশ্ন দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ইসলামপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মিজানুর রহমান।

অনিয়মিত প্রশ্নে পরীক্ষার নেয়ার বিষয়ে জামালপুরের জেলা প্রশাসক আহমেদ কবির বলেন, বিষয়টি বোর্ড কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। যে প্রশ্নে পরীক্ষা নেয়া হয়েছে। সেই ভাবেই পরীক্ষার মুল্যায়ন করা হবে এবং এর জন্য যারা দায়ী তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এবার জামালপুরে এসএসসি, ভোকেশনাল ও দাখিল পরীক্ষায় ৩৯ হাজার ৯শ’ ২৭ জন নিয়মিত ও অনিয়মিত পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছে।