ছাত্রলীগের যে ছয় নেতার বিরুদ্ধে ফাহাদ হত্যার অভিযোগ!
ফেসবুকে ভারতের সমালোচনা করে পোস্ট করায় বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারনা করছে শিক্ষার্থীরা। আর এ হত্যাকান্ডে ৬ ছাত্রলীগ নেতার প্রত্যক্ষভাবে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত ছয় নেতার মধ্যে এক নেতা জানিয়েছেন বাকি ৫ জনের নাম।
ওই শিক্ষার্থীকে ‘শিবির সন্দেহে’ রুম থেকে ডেকে জেরা করার কথা স্বীকার করেছেন বুয়েট ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক আশিকুল ইসলাম বিটু। মারধরের সময় তিনি ওই কক্ষে উপস্থিত ছিলেন বলে জানা গেছে।
সহ-সম্পাদক আশিকুল ইসলাম বিটু বলেন, “আবরারকে শিবির সন্দেহে রাত আটটার দিকে হলের ২০১১ নম্বর কক্ষে ডেকে আনা হয়। সেখানে আমরা তার মোবাইলে ফেসবুক ও মেসেঞ্জার চেক করি। ফেসবুকে বিতর্কিত কিছু পেইজে তার লাইক দেওয়ার প্রমাণ পাই। সে কয়েকজনের সঙ্গে যোগাযোগও করেছে। শিবির সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাই।”আবরারকে জিজ্ঞাসাবাদ করে বুয়েট ছাত্রলীগের উপ দপ্তর সম্পাদক ও কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মুজতবা রাফিদ, উপ-সমাজসেবা সম্পাদক ইফতি মোশাররফ সকাল, উপ-আইন সম্পাদক অমিত সাহা। পরবর্তীতে প্রমাণ পাওয়ার পরে চতুর্থ বর্ষের ভাইদের খবর দেওয়া হয়।”
তিনি আরো জানান, “খবর পেয়ে বুয়েট ছাত্রলীগের ক্রীড়া সম্পাদক মেফতাহুল ইসলাম জিয়ন, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক অনিক সরকার সেখানে আসেন। একপর্যায়ে আমি রুম থেকে বের হয়ে আসি। এরপর হয়তো ওরা মারধর করে থাকতে পারে। পরে আজ (৭ অক্টোবর) ভোররাত তিনটার দিকে শুনি আবরার মারা গেছে।”
এদিকে, হত্যাকান্ডের ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রাসেল ও ফুয়াদ নামে দু'জনকে আটক করছে পুলিশ। সোমবার (০৭ অক্টোবর) সকালে তাদের আটক করা হয়। আটক রাসেল ও ফুয়াদ বুয়েটের শিক্ষার্থী। হত্যাকান্ডের সাথে জড়িতদের ফাঁসি দাবি করেছে ফাহাদের পরিবার।