১০ এপ্রিল ২০১৯, ১৪:০০

লোকপ্রশাসন বিভাগকে কলেজে অন্তর্ভুক্তির দাবিতে পাবিপ্রবিতে গণস্বাক্ষর

গণস্বাক্ষর কর্মসূচি  © টিডিসি ফটো

লোকপ্রশাসন বিভাগকে কলেজে অন্তর্ভুক্তির দাবিতে গণস্বাক্ষর কর্মসূচি পালন করেছে পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশবিদ্যলয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগ। গতকাল এপ্রিল(মঙ্গলবার) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধীনতা চত্বরে এই গণস্বাক্ষর গ্রহণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এতে লোকপ্রশাসন বিভাগের সকল শিক্ষক শিক্ষার্থীরা এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন ।

সরকারি কলেজসমূহে লোক প্রশাসন বিভাগ চালু করাসহ ৪ দফা দাবিতে এই গণস্বাক্ষর গ্রহণ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। অন্যান্য দাবি গুলোর মধ্যে রয়েছে- ৪১তম বিসিএস থেকে লোক প্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থীদেরকে শিক্ষা ক্যাডারে নিয়োগের ব্যবস্থা করা, দক্ষ প্রশাসন গড়ে তোলার জন্য লোকপ্রশাসনের জ্ঞান কলেজ পর্যায়ে ছড়িয়ে দেওয়া এবং লোকপ্রশাসনের জন্য বিশেষ চাকুরীরক্ষেত্র তৈরি করা।

পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের চেয়ারম্যান ড. মীর খালেদ ইকবাল চৌধুরী দাবি গুলোর প্রেক্ষিতে জানান ‘লোকপ্রশাসন বিভাগ বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে শিক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসাবে বিবেচিত হয়ে আসছে। প্রতিবছর একটি উল্লেখযোগ্য অংশ বিসিএস(প্রশাসন) ক্যাডারসহ বিভিন্ন ক্যাডারে এবং অন্যান্য স্থানে কর্মে অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে। কিন্তু দীর্ঘদিন হতে আমরা লক্ষ্য করে আসছি যে, কলেজগুলোতে লোকপ্রশাসন বিষয় নাই এবং খোলার কোন উদ্যোগ নাই, ফলে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও সময়োপযোগী বিষয় হওয়া সত্বেও শুধুমাত্র কলেজগুলোতে এই বিষয় না পড়ানোর কারনে অনেক মেধাবী ও সম্ভাবনাময় শিক্ষার্থী লোকপ্রশাসন বিভাগে পড়াশোনা করে শিক্ষা ক্যাডারে অন্তর্ভুক্ত হতে পারছে না।’

লোকপ্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থী পার্থ মিস্ত্রী বলেন, ‘সরকারের সংশ্লিষ্ট সকলের কাছে বিশেষভাবে অনুরোধ জানাচ্ছি যেন আমাদের এই যৌক্তিক দাবিগুলো নিয়ে যত দ্রুত সম্ভব কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়। দেশের কলেজ পর্যায়ে যেন লোকপ্রশাসন বিভাগকে যেন অন্তর্ভুক্ত করা হয় এবং বিসিএস এ ক্যাডার পদ সৃষ্টি করা হয়।’

উল্লেখ্য, লোক প্রশাসন বিভাগকে কলেজ পর্যায়ে অন্তর্ভুক্তি করার জন্য ‘বাংলাদেশ লোকপ্রশাসন অধ্যয়ন কেন্দ্র’ কর্তৃক ২৫ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস এর উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম আবুল কাশেম মজুমদারকে আহ্বায়ক ও বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহকে যুগ্ম-আহ্বায়ক করা হয়েছে। এছাড়া জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের সভাপতি ড. জেবউন নেছাকে সদস্য সচিব মনোনীত করা হয়েছে। বুধবার দুপুর ১২টায় সকল বিশ্ববিদ্যালয়ে মানববন্ধন করার ঘোষণা দেয়া হয়।