শাবিপ্রবি ঘোষণার মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক উপাচার্য সম্মেলন সমাপ্ত
শাবিপ্রবি ঘোষণার (সাস্ট ডিক্লেরেশন-২০১৯) মধ্য দিয়ে প্রথম আন্তর্জাতিক উপাচার্য সম্মেলন শেষ হয়েছে। শনিবার শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) অনুষ্ঠিত হয়েছে দিনব্যাপী এ আর্ন্তজাতিক সম্মেলন। সম্মেলনে ভারত ও বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ২৩টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৪ জন উপাচার্য ও আচার্য অংশগ্রহণ করেন। সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে এর উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।
দিনব্যাপী এ সম্মেলন শেষে বিকালে ২৩টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যকার ‘সাস্ট ডিক্লেরেশন-২০১৯’ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় এবং আগামী সম্মেলন ভারতে গোয়াহাটি বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজনের নীতিগত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
শাবিপ্রবি ঘোষণার মধ্যে রয়েছে-বাংলাদেশ ও ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় অঞ্চলের জনগণের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্কের উন্নতির লক্ষ্যে অর্জন করা; দ্বিপাক্ষিক যোগাযোগ, সহযোগিতা ও উচ্চশিক্ষায় সহযোগিতার জন্য একটি প্লাটফর্ম স্থাপন; আঞ্চলিক তাৎপর্য বিষয়ক যৌথ গবেষণা উৎসাহিত করা, বিশ্ববিদ্যালয় ও দুই অঞ্চলের প্রতিষ্ঠানগুলির মধ্যে সহযোগিতামূলক কার্যক্রম দ্রুততর করা, আঞ্চলিক উচ্চশিক্ষা সম্প্রদায় গড়ে তোলা; বাংলাদেশী ও ভারতীয় নাগরিকদের কাছ থেকে শিক্ষা সম্প্রদায়কে আরও সমৃদ্ধ, সুষম ও পারস্পরিক-ফলপ্রসূ, জয়-জয় পরিস্থিতির অগ্রগতিতে সহায়তা করা; আঞ্চলিক অর্থনৈতিক ও সামাজিক বিকাশকে উৎসাহিত করার জন্য জ্ঞান, দক্ষতা ও শক্তি অবদান রেখে আমরা, অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলির প্রধান ব্যক্তিবর্গ, উভয় দেশের আইন ও বিধিগুলির কাঠামোর মধ্যে একটি ধারাবাহিক কার্যকলাপের মাধ্যমে সহযোগিতা বজায় রাখতে আমাদের প্রতিশ্রুতি প্রকাশ করি পরামর্শ, সংহতি ভাগ এবং পারস্পরিক-ফলপ্রসূ উন্নয়ন এবং অগ্রগতি।
এসব ঘোষণা পূরণের লক্ষ্যে-আঞ্চলিক উচ্চ এবং ত্রৈমাসিক শিক্ষার উদ্ভাবনী উন্নয়নের বিষয়ে পারস্পরিক তাৎপর্য বিষয়ক বিষয়গুলি এবং প্রতিষ্ঠানগুলির মধ্যে পারস্পরিক সমঝোতা বৃদ্ধি এবং কার্যকর ও দক্ষ বিশ্ববিদ্যালয়/ ইনস্টিটিউট পরিচালনার অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেওয়ার জন্য প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের সাথে আলোচনায় অংশ নেয়া; আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষণের পদ্ধতি এবং মডিউলগুলি অন্বেষণ করা, স্নাতকোত্তর এবং স্নাতকোত্তরদের যৌথ প্রশিক্ষণ এবং উন্নয়ন বাস্তবায়ন করা, ক্রেডিট বিনিময় এবং একাডেমিক প্রশংসাপত্রের স্বীকৃতি/স্বীকৃতি প্রচারের প্রচার করা; আঞ্চলিক অর্থনৈতিক ও সামাজিক বিকাশ ও প্রবৃদ্ধিকে যৌথভাবে উন্নীত করার জন্য বৈজ্ঞানিক গবেষণাতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও সহযোগিতা, চিন্তাধারাগুলির মধ্যে যোগাযোগকে শক্তিশালী করা এবং আন্তর্জাতিক যৌথ গবেষণাগার এবং অন্যান্য গবেষণা সরবরাহ ও প্লাটফর্মগুলি উন্নীত করা; বিশ্ববিদ্যালয়/প্রতিষ্ঠানগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্যভাবে ছাত্রদের শারীরিক ও ভার্চুয়াল গতিশীলতা বৃদ্ধিকরণ যাতে আমাদের অনেক শিক্ষার্থী তাদের ঘরোয়া প্রসঙ্গগুলির বাইরে বাস্তবসম্মততা অনুভব করে এবং বিশ্বের অন্যান্য অংশগুলিতে তাদের চ্যালেঞ্জ ও সুযোগ-সুবিধা বোঝার ক্ষমতা গভীর করে; সকল আর্থিক ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা করা হবে যেন প্রয়োজন অনুযায়ী তহবিল প্রাপ্যতা উপর নির্ভর করবে।
এছাড়াও পারস্পরিক গ্রহণযোগ্য এবং আইনের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ ক্ষেত্রগুলির মধ্যে, নিম্নলিখিত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়/ ইনস্টিটিউট পরিচালনাকারী বিধি ও প্রবিধান সহযোগিতা ফর্ম অনুসরণ করা হবে: উভয় সরকার এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলির নিয়মাবলী অনুযায়ী অধ্যয়ন এবং গবেষণা, ও আলোচনায় ছাত্র, অনুষদ সদস্য এবং প্রশাসকদের দ্বারা পরিদর্শন প্রচার করা; শিক্ষা ও গবেষণা, প্রকাশনা, এবং একাডেমিক উপকরণ, তথ্য, নির্দেশাবলী এবং সাংস্কৃতিক প্রোগ্রাম বিনিময়; উপরোক্ত উদ্দেশ্য অগ্রগতি মধ্যে ফেলোশিপস; লাইব্রেরী সম্পদ এবং গবেষণা প্রকাশনা বিনিময় তথ্য বিনিময়, কিন্তু তা সীমাবদ্ধ নয়; গ্লোবাল শিক্ষা সম্পর্কিত সম্মিলিতভাবে গবেষণা প্রকল্পের উদ্যোগ গ্রহণ; শিক্ষার সার্বিক বিস্তার ও প্রচারের পাশাপাশি উভয় দেশের সর্বত্র উন্নয়ন সম্পর্কিত অন্যান্য বিষয় অনুসন্ধান করা; নির্দিষ্ট এলাকার আইন দ্বারা প্রযোজ্য হতে পারে।
সর্বোপরি, এই সম্মেলন অনুভব করেছিল, উদ্যোগ গ্রহণের মাধ্যমে প্রতিবেশী দেশগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য প্রসারিত করা যেতে পারে; আইসিভিসি এর সুযোগটি একাডেমিক যোগাযোগ ও সহযোগিতা ছাড়াও খেলাধুলা ও উৎসব অন্তর্ভুক্ত করা উচিত; আইসিভিসি বাংলাদেশ ও ভারতের বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের সাথে সঙ্গতিপূর্ণভাবে কাজ করবে; পরবর্তী আইসিভিসি ভারতের আসামের গৌয়াহাটিতে আগামী বছর ২০২০ সালে অনুষ্ঠিত হবে।
সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, সারা বিশ্বে যে কানেক্টিভিটির কথা বলা হচ্ছে তা নৌ, সড়ক, রেল, বিমানপথের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এই কানেক্টিভিটি মানুষে মানুষে কানেক্টিভিটি, এই কানেক্টিভিটি আইডিয়ার কানেক্টিভিটি। আইডিয়ার যে কানেক্টিভিটি তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত আজকে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এ সম্মেলনে দেখা যাচ্ছে। ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল এবং আমাদের এ অঞ্চলের মধ্যকার রাজনৈতিক সীমান্ত একটা বিভক্তির রেখা টেনে দিলেও আমাদের প্রকৃতি, নদী, বাতাস পরষ্পরকে এক সঙ্গে বেঁধে রেখেছে। আমাদের এ সম্পর্কে ফলে অতিতে যেমন এক সাথে ছিলাম, এখন আছি এবং ভবিষ্যতেও আমরা একসঙ্গে থাকব।
মন্ত্রী বলেন, ভারত-বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের চিন্তার জগৎ আজ এক হয়েছে। আমরা আশাবাদী সবাই একসঙ্গে সামনে এগিয়ে যাবার পথ তৈরি করতে কাজ করবে। নতুন নতুন জ্ঞানের ভান্ডার আরও সমৃদ্ধ করবে। কাজেই এ সম্মেলনকে ‘ইন্টেলেকচুয়াল পাওয়ার হাউস’ বলা যেতে পারে। তিনি আরও বলেন, এ ধরণের আয়োজন একটি মহতি এবং ব্যতিক্রমী উদ্যোগ। শিক্ষার অনুকুল পরিবেশ তৈরির মাধ্যমে দেশের সামাজিক ব্যাধি তথা মাদক, দুর্নীতি, সন্ত্রাসবাদ দূর করতে হবে। আর এসব দুরীকরণের লক্ষ্যে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের শুধু ডিগ্রিধারী নয় বরং আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়ে তুলে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।
সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবদুল মান্নান, আসামের গোয়াহাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মৃদুল হাজারিকা, মেঘালয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এর আচার্য মাহবুবুল হক উপস্থিত ছিলেন।
সম্মেলনে প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে আসন গ্রহণ করেন শাবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দীন আহমেদ। এছাড়াও আইসিভিসি সম্মেলনের আহবায়ক শাবিপ্রবি’র স্কুল অব অ্যাপ্লাইড সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি'র ডিন অধ্যাপক ড. এ এম এম মোকাদ্দেছ ও সদস্য সচিব সিএসই বিভাগের প্রধান অধ্যাপক জহিরুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবদুল মান্নান বলেন, ভারত-বাংলাদেশের মধ্যকার যে পারষ্পরিক বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক তা কখনই বিচ্ছেদ হতে পারেনা। যেখানে একই মঞ্চে দাঁড়িয়ে দুই দেশের জাতীয় সংগীত গাওয়া হয় তাদের মধ্যকার কোন বিবেদ থাকতে পারেনা। শিক্ষার বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশ দারিদ্র দূরীকরণের ফলে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক উন্নতির মাধ্যমে এখন বিশ্বে ৫ম অবস্থানে আছে যা এশিয়ায় ১ম স্থান। মুক্তিযুদ্ধে ভারতের জনগণের যে অবদান তা আজ স্বীকার না করলে তাদের প্রতি অবিচার করা হবে। আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থায় শিক্ষামন্ত্রী যথেষ্ঠ আন্তরিক। সকলকে মানব সম্পদে রুপান্তরের লক্ষ্যে তিনি কাজ করে যাচ্ছেন। আজকের এই আয়োজনের ফলে ভারত বাংলাদেশের মধ্যকার সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হয়েছে এবং এ অঞ্চলের শিক্ষার উন্নয়নে এ ধরনের আয়োজনের ধারাবাহিকতা বজায় রাখব।
মেঘালয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এর আচার্য মাহবুবুল হক বলেন, সিলেটের সাথে আমাদের ভৌগলিক সম্পর্ক শুধুমাত্র একটি রাজনৈতিক বিভাজন। কিন্তু আমাদের মধ্যকার আত্মীক বন্ধন ভবিষ্যতে আরও সমৃদ্ধ হবে। আমি ব্যক্তিগত ভাবে নিজেকে একজন সিলেটি করি। কারণ আমার গ্রামের বাড়ি সীমান্তবর্তী করিমগঞ্জে। তাই এ অঞ্চলের সাথে আমার একটি আলাদা টান অনুভব করি। এ সময় তিনি সিলেটের আঞ্চলিক ভাষায় কথা বলেও শুনান।
সমাপনী বক্তব্যে শাবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ বলেন, দেশের উচ্চশিক্ষা, মৌলিক গবেষণা, উদ্ভাবণী কার্যক্রম ও যুগপোযুগী নতুন পরিকল্পনা ও করণীয় নির্ধারণে লক্ষ্যে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। দেশে প্রথমবারের মত আয়োজিত এ ধরণের কনভেনশনে এ অঞ্চলের বিশ্ববিদ্যালগুলোর সর্বশেষ শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রমের তথ্য বিনিময়ের মাধ্যমে উচ্চশিক্ষা ক্ষেত্রে একটি নতুন দ্বার উন্মোচিত হবে। এই ধারা অব্যাহত থাকলে আমরা দুই দেশের শিক্ষার্থীদের শিক্ষা ক্ষেত্রে আরও সহযোগীতা করতে পারব।
এদিকে, বেলা এগারটায় বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়্যারম্যান অধ্যাপক আবদুল মান্নানের সভাপতিত্বে ‘দ্যা কনভেনশন’ সেশন অনুষ্ঠিত হয়। এসময় ২৩টি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যগণ ‘কমিউনিকেশন, কনসেনশাস অ্যান্ড কো-অপারেশন’ প্রতিপাদ্যের আলোকে বাংলাদেশ ও ভারতের উচ্চশিক্ষা, মৌলিক গবেষণা, উদ্ভাবনী কার্যক্রম, শিক্ষাপ্রশাসন ও ভূ-রাজনৈতিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।
সম্মেলনে অংশ নেয়া উপাচার্যরা হলেন-মেঘালয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য ও সম্মেলনের আন্তর্জাতিক সমন্বয়ক মাহবুবুল হক, তেজপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক বিনয় কুমার জৈন, আসামের গোয়াহাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মৃদুল হাজারিকা, আসাম বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. ধীরাজ বোরা, আসামের কটন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ভাবেশ চৌধুরী গোস্বামী, মিজোরাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক কে আর এস সাম্বাশিবা রাও, রাজীব গান্ধী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক সাকেত কুশয়াহ, আসামের ন্যাশনাল ল ইউনিভার্সিটি এন্ড জুডিশিয়াল অ্যাকাডেমির উপাচার্য অধ্যাপক ড. যে এস পাতিল, মণিপুর কেন্দ্রীয় কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এম প্রেমজিৎ সিং, মহাপুরুষ শ্রীমন্ত শংকরদেব বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক কে কে ডেকা, মিজোরামের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজির ডাইরেক্টর অধ্যাপক রজত গুপ্তা, মনিপুরের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজির ডাইরেক্টর অধ্যাপক ড. গৌতম সূত্রধর, ইনস্টিটিউট অফ অ্যাডভান্সড স্টাডিড ইন সাইন্স এন্ড টেকনোলজির অধ্যাপক এন সি তালুকদার, মেঘালয়ের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. পি কে গোস্বামী, মেঘালয়ের মার্টিন লুথার ক্রিস্টিয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ভিনসেন্ট টি দারলং, মেঘালয়ের ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর গান্ধীয়ান স্টাডিজ এর ডিরেক্টর অধ্যাপক অলকা শর্মা, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমরান কবির চৌধুরী, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ গিয়াস উদ্দিন মিয়া, সিলেটের মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. শিব প্রসাদ সেন, লিডিং ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ কামরুজ্জামান চৌধুরী, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ মতিউর রহমান হাওলাদার, নর্থ ইস্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ এর উপাচার্য অধ্যাপক ড. আতফুল হাই শিবলী, শাবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ।