যে উৎসবে ব্যতিক্রম রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
বর্ণিল আয়োজন পাহাড়ে শুরু হয়েছে বর্ষবরণ ও বর্ষবিদায়ের মহান উৎসব বৈসাবি। চাকমা জনগোষ্ঠী উৎসবের প্রথম দিন ‘ফুলবিজু’ ও ত্রিপুরা জনগোষ্ঠী এদিন পানিতে ফুল ভাসিয়ে পালন করে ‘হারি বৈসুক’। পার্বত্যাঞ্চলের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ঐতিহ্যবাহী প্রধান সামাজিক উৎসব বিজুকে ঘিরে উৎসব মুখর হয়ে উঠেছে পাহাড়ি জনপদ। পার্বত্য তিন জেলার ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর অন্যতম রাঙ্গামাটি এখন যেন উৎসবের নগর। উৎসব থেকে দূরে নেই রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবিপ্রবি) শিক্ষার্থীরা।
রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা নববর্ষ, বৈসাবি ও পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন জাতি সত্তার সামাজিক উৎসব উপলক্ষে আগামী ১০ এপ্রিল থেকে ১৬ এপ্রিল পর্যন্ত পূর্ব নির্ধারিত ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। যা বাংলাদেশের অন্য সব সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্যতিক্রম। শুধুমাত্র রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্যতিক্রমী এই সামাজিক উৎসব পালন করা হয়।
ত্রিপুরাদের বৈসুক এর ‘বৈ’ মারমাদের সংগ্রাই এর ‘সা’ আর চাকমাদের বিজুর ‘বি’ এই উৎসবকে এক সাথে বোঝাতে ‘বৈসাবি’ হিসেবে বোঝানো হয়। বৈসাবি উৎসবে পাহাড়ি, বাঙ্গালির মেলবন্ধনে নতুন রঙ খুঁজে পায় রাবিপ্রবি। শুধু আচার-অনুষ্ঠান, প্রথা নয় বরং পারস্পরিক সহযোগীতা ও ভালবাসায় সম্পৃতির এক অনন্য উদাহরণ হয়ে ওঠে কাপ্তাই লেকে ঘেরা, পাহাড়ের চাদরে মোড়ানো রাবিপ্রবি।