শাবিপ্রবি ও ব্লাস্টের সমঝাতা চুক্তি স্বাক্ষরিত
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি) ও বাংলাদশ লিগ্যাল এইড এন্ড সার্ভিসেস ট্রাস্টের (ব্লাস্ট) মধ্যে মেমোরান্ডাম অব আন্ডার্স্টান্ডিং (এমওইউ) চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য আইনি সহায়তা নিশ্চিত ও শিক্ষার্থীদের উচ্চতর গবেষণায় ফেলোশিপ প্রদানের লক্ষ্যে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। মঙ্গলবার সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন-২ এর সভা কক্ষে এ সমঝাতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিত জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিত বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে রেজিস্ট্রার মো. ইশফাকুল হোসেন ও ব্লাস্টের পক্ষ সংগঠনটির প্রধান আইনি পরামর্শক সাবেক বিচারপতি মো. নিজামুল হক এই সমঝাতা চুক্তি পত্র স্বাক্ষর করেন।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, ব্লাস্টের সমন্বয়ক মো. ইরফানুজ্জামান চৌধুরী, বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌন হয়রানি ও নিপীড়ন নিরোধ সেলের সভাপতি অধ্যাপক ড. নাজিয়া চৌধুরী, অধ্যাপক ড. আনোয়ারুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. জায়দা শারমিন ও সহকারী অধ্যাপক ফখরুল আলম, সহকারী অধ্যাপক করিমা বেগম প্রমুখ।
চুক্তি স্বাক্ষরকালে ব্লাস্টের প্রধান আইনি পরামর্শক সাবেক বিচারপতি মো. নিজামুল হক বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্ট কাহারোর যদি কোন ধরনের আইনি সহায়তার দরকার হয়, যেসব বিষয়ে ব্লাস্ট কাজ করে, সেসব ক্ষেত্রে ব্লাস্টের পক্ষ থেকে যেকোন ধরণের আইনি সহায়তা দেওয়া হবে। আমরা আপনাদের সাথে সম্পৃক্ত হয়েছি। আমাদের দেশে অনেক ভিকটিম আছে কিন্তু তারা আইনের সহায়তা নিতে আসে না। কারো কোন সমস্যা থাকলে তা নিয়ে আসতে হবে, আমাদের জানাতে হবে। এছাড়া তিনি মেয়েদের যেকোন বিষয়ে আইনি সহায়তা প্রধানের বিষয়েও আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ বলেন, আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের যেকোন অপরাধের বিষয়ে জিরো টলারেন্স নীতিতে কাজ করি। আমরা যদি সচেতন থাকি তাহলে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়কে যেকোন সমস্যা থেকে মুক্ত রাখতে পারবো। আর এখন আমাদের সাথে ব্লাস্ট যুক্ত হয়েছে। তারা আমাদের আইনি সহায়তা প্রদান করবে। এসময় কারো কোন বিষয়ে আইনি সহায়তা লাগলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে অবহিত করার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান উপাচার্য।