০৬ নভেম্বর ২০১৮, ১৭:২৬

শাবিতে বাড়লো ৩৯ শতাংশ ভর্তি ফি, শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়  © ফাইল ফটো

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে বৃদ্ধি করা হয়েছে ভর্তি ফি। গত বছরের তুলনায় এ বছর ভর্তি ফি বাড়ানো হয়েছে ৩৯ শতাংশ। মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে ফি বৃদ্ধি সংক্রান্ত একটি নোটিশ দিয়েছে প্রশাসন।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, আগামী ১১ নভেম্বর থেকে শুরু হবে ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের ১ম বর্ষ ১ম সেমিস্টারের ভর্তি কার্যক্রম।  ভর্তির জন্য ফি নিধারর্ণ করা হয়েছে ৯ হাজার ৫শ’ টাকা।  যা গত বছর ছিল ৬ হাজার ৮শ’ ৫০ টাকা।  অর্থাৎ গত বছরের তুলনায় এবার ২ হাজার ৬শ’ ৫০ টাকা বৃদ্ধি করা হয়েছে।

এদিকে ফি বৃদ্ধি করায় শিক্ষার্থীদের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।  মঙ্গলবার ভর্তি ফি বাড়ানোর প্রতিবাদে ক্যাম্পাসে পৃথকভাবে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট ও জাতীয় ছাত্রদল। বিক্ষোভ মিছিল শেষে সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের পক্ষ থেকে উপাচার্য বরাবর একটি স্বারকলিপি প্রদান করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয় ওয়েবসাইট সূত্রে জানা যায়, ভর্তির জন্য শিক্ষার্থীদেরকে ভর্তি পরীক্ষার প্রবেশপত্র, এসএসসি ও এইচএসচি বা সমমান পরীক্ষার মূল নম্বরপত্র ও সার্টিফিকেট এবং ৯ হাজার ৫শ’ টাকা সাথে নিয়ে আসতে হবে। এছাড়াও কোটায় ভর্তি হতে ইচ্ছুক মেধা তালিকায় উত্তীর্ণ ছাত্র-ছাত্রীদেরকে ভর্তির যোগ্যতা প্রমাণের জন্য যথাযথ সনদপত্রের মূল কপি এবং প্রার্থীদের প্রতিটি সনদপত্র ও নম্বরপত্রের ২টি সত্যায়িত ফটোকপি নিয়ে আসতে হবে। চা শ্রমিকদের জন্য বিগত ছয় মাসের মজুরি বিবরণী প্রশংসাপত্রের সাথে জমা দিতে হবে।

এদিকে ভর্তি কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. শামসুল হক প্রধান বলেন, আগামী ১১ নভেম্বর থেকে ১৪ নভেম্বর পর্যন্ত ভর্তি কার্যক্রম চলবে। ১১ নভেম্বর সকাল নয়টায় ‘বি-১’ ইউনিটে মেধাতালিকার ১ থেকে ৬০০ এবং পরদিন একই ইউনিটের ৬০১ থেকে ৯৮০ এবং ‘বি-২’ ইউনিটের মেধাতালিকার ১ থেকে ৩০ পর্যন্ত ও বিভিন্ন কোটার সাক্ষাৎকার ও ভর্তি অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়াও ১৩ নভেম্বর ‘এ’ ইউনিটের বিজ্ঞান বিভাগের মেধাতালিকার ১ থেকে ২২০ ও বাণিজ্যের ১ থেকে ৮৩ পর্যন্ত এবং পরদিন মানবিক বিভাগের মেধাতালিকার ১ থেকে ৩০১ ও বিভিন্ন কোটার সাক্ষাৎকার ও ভর্তি অনুষ্ঠিত হবে।

ভর্তি ফি বাড়ানোর ব্যাপারে জানতে চাইলে উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ বলেন, শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে ওয়েবসাইটে টাকার একটি পরিমাণ উল্লেখ করা হয়েছে, কিন্তু চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়নি। ভর্তি ফি বাড়ানোর সিদ্ধান্তও নেয়া হয়নি আর বাড়ালেও এত বেশি হবে না। একাডেমিক কাউন্সিলের মিটিংয়ের পরই ভর্তি ফি বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।