২৫ নভেম্বর ২০১৮, ১৮:৪০

আগামী বছর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি ৮৫ দিন

  © লোগো

সরকারি-বেসরকারি মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোর ২০১৯ শিক্ষাবর্ষের জন্য ৮৫ দিন ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।  রবিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রকাশিত একাডেমিক ক্যালেন্ডারের মাধ্যমে এই ছুটি ঘোষণা করা হয়।  ক্যালেন্ডারের ক্লাস-পরীক্ষা ও ফল প্রকাশের তারিখও উল্লেখ করা হয়েছে।

একাডেমিক ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, শিক্ষাবর্ষ হবে ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর। প্রথম কর্মদিবস অর্থাৎ ১ জানুয়ারি পাঠ্যপুস্তক দিবস হিসেবে উদযাপিত হবে।  উল্লেখযোগ্য ছুটির মধ্যে গ্রীষ্মকালীন অবকাশ, রমজান, বুদ্ধ পূর্ণিমা, জুমাতুল বিদা, শব-ই-বরাত ও ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ৬ মে থেকে ১৩ জুন পর্যন্ত ৩৪ দিন।  আগামী বছর ঈদুল আযহা, জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে ৮ আগস্ট থেকে ১৯ আগস্ট ১০ দিন; দুর্গাপূজা, প্রবারণা পূর্ণিমা ও লক্ষ্মী পূজা উপলক্ষে ৪ অক্টোবর থেকে ১৩ অক্টোবর ৮ দিন এবং শীতকালীন অবকাশ, বিজয় দিবস, যিশু খ্রিস্টের জন্মদিন বা বড়দিন উপলক্ষে ১৫ ডিসেম্বর থেকে ২৯ ডিসেম্বর ১৩ দিন।  সাপ্তাহিক ছুটি শুক্রবার ছাড়া বছরে মোট ছুটি ৮৫ দিন। সরকার যে সব দিনকে সাধারণ ছুটি (পাবলিক হলিডে) এবং নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি বলে ঘোষণা করা হবে সে সব দিন ওই ৮৫ দিনের অন্তর্ভুক্ত হবে।  বিভিন্ন পর্বে মোট ৮২ দিন এবং প্রধান শিক্ষকের সংরক্ষিত তিন দিনসহ মোট ৮৫ দিন ছুটি রাখা হয়েছে। বিদ্যালয়ে সংবর্ধনা বা পরিদর্শন উপলক্ষে ক্লাস বন্ধ না করার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের রাস্তায় দাঁড় করাতে নিষেধ করা হয়েছে।

একাডেমিক ক্যালেন্ডারে বলা হয়েছে, আগামী বছরের ২২ জুন থেকে ৪ জুলাই (১২ দিন) অর্ধ-বার্ষিক/প্রাক নির্বাচনী পরীক্ষা এবং ২০ জুলাই ফল প্রকাশ, নির্বাচনী পরীক্ষা ১৪ অক্টোবর থেকে ২৯ অক্টোবর (১২ দিন) এবং ফলাফল প্রকাশ ৭ নভেম্বর। আর বার্ষিক পরীক্ষা ২৭ নভেম্বর থেকে ১১ ডিসেম্বর (১২ দিন) গ্রহণ করে ৩০ ডিসেম্বর ফল প্রকাশের দিন নির্ধারণ করা হয়েছে।

একাডেমিক ক্যালেন্ডারে বলা হয়েছে, প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষার গুণগত মান বাড়াতে পরীক্ষার সময়সূচি মোতাবেক অর্ধ-বার্ষিক, নির্বাচনী ও বার্ষিক পরীক্ষা গ্রহণ নিশ্চিত করবে। বার্ষিক পরীক্ষার উত্তরপত্র অন্তত এক বছর সংরক্ষণ করতে হবে। প্রতি পরীক্ষার সময়কাল ১৪ দিনের বেশি হবে না।  নিজ নিজ বিদ্যালয় পরীক্ষার প্রশ্নপত্র (পাবলিক পরীক্ষা ছাড়া) নিজেরাই প্রণয়ন করবে। কোনো অবস্থাতেই বাইরে থেকে প্রশ্নপত্র কিনে পরীক্ষা নেয়া যাবে না।  পরীক্ষার নির্ধারিত তারিখ পরিবর্তন করা যাবে না। তবে কোনো বিশেষ কারণে পরীক্ষার তারিখ পরিবর্তন করতে হলে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের পূর্বানুমতি নিতে হবে।