শিক্ষা উন্নয়নে বাংলাদেশ অনুকরনীয়
শিক্ষাক্ষেত্রে বাংলাদেশ আজ একটি অনুকরণীয় দেশ। যেসব উন্নয়নশীল দেশ শিক্ষাক্ষেত্রে পিছিয়ে আছে, তারা আজ বাংলাদেশ থেকে জানতে চায় বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। শিক্ষাক্ষেত্রে বিগত ১০ বছরে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শেখ হাসিনার দৃঢ় নেতৃত্ব এবং সকলের সহযোগিতায় সীমিত সময়ে দেশে এত উন্নয়ন সম্ভব হয়েছে।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর মিরপুরে সরকারি বাঙলা কলেজের বিভিন্ন উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন শেষে এ উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী।
শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, বিশ্বমানের শিক্ষা বাস্তবায়ন ও গুণগত মান উন্নয়নে সরকার বিভিন্ন কর্মসূচী বাস্তবায়ন করছে। বিগত ১০ বছরে ব্যাপক অবকাঠামোগত উন্নয়ন সম্পন্ন হয়েছে। আইসিটি শিক্ষার কার্যক্রম সহজতর করা হয়েছে। শিক্ষাক্ষেত্রে ব্যাপকভাবে প্রযুক্তির ব্যবহার করা হয়েছে। ২০০৯ সাল থেকে ২০১৮ পর্যন্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৩০ হাজার ৭৭১টি ভবন নির্মান করা হয়েছে। এর মধ্যে কিছু ভবনের কাজ চলমান রয়েছে।
শিক্ষামন্ত্রী আরো বলেন, বিশ্বের সাথে প্রতিযোগিতা করতে পারে এমন বিশ্বমানের নাগরিক আমাদের তৈরি করতে হবে। এজন্য শিক্ষা ব্যবস্থার আমুল পরিবর্তন প্রয়োজন। নতুন প্রজন্মকে উন্নত বাংলাদেশের নির্মাতা দক্ষ মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। সার্টিফিকেট-সর্বস্ব শিক্ষায় বেকারত্ব বাড়বে। দক্ষতা না থাকলে বড় সার্টিফিকেট অর্থহীন। এজন্য সরকার কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা গ্রহণে উৎসাহিত করছে।
সরকারি বাঙলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. ইমাম হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন সংসদ সদস্য মো. আসলামুল হক, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত মহাপরিচালক প্রফেসর মোহাম্মদ শামছুল হুদা, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী দেওয়ান মোহাম্মদ হানজালা এবং কলেজের উপাধ্যক্ষ প্রফেসর হাসমৎ আরা আল-জলিলা।
শিক্ষামন্ত্রী সরকারি বাঙলা কলেজের নির্মিতব্য ১০-তলা ভিত বিশিষ্ট একাডেমিক এবং এক্সামিনেশন হল ভবন, ১০-তলা ভিত বিশিষ্ট মাল্টিপারপাস ভবন ও নতুন ছাত্রাবাসের ভিত্তিপ্রস্তরের ফলক উন্মোাচন করেন এবং নব-নির্মিত শহীদ মিনারের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
এরপর শিক্ষামন্ত্রী রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বানিজ্য মেলা প্রাঙ্গনে আয়োজিত ৪র্থ জাতীয় উন্নয়ন মেলায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন। তিনি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দু’টি বিভাগ এবং এর অধীন অধিদপ্তর,দপ্তর এবং সংস্থার বিভিন্ন স্টল ঘুরে দেখেন।