১৯ নভেম্বর ২০১৮, ১৭:০১

বর্ষসেরা আইসিটি ব্যক্তিত্ব ড. মো. সবুর খান

আইসিটি পার্সন অব দ্য ইয়ার-২০১৮’ পুরস্কার গ্রহণ করছেন সবুর খান  © টিডিসি ফটো

ড্যাফোডিল পরিবার ও ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খান ৩য় ডেইলি স্টার আইসিটি অ্যাওয়ার্ডের ‘আইসিটি পার্সন অব দ্য ইয়ার-২০১৮’ পুরস্কার পেয়েছেন। বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতে অবদান রাখার স্বীকৃতি হিসেবে ব্যক্তি পর্যায়ে তাকে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়। গত শনিবার রাজধানীর হোটেল লা মেরিডিয়ানে এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিতের হাত থেকে তিনি এ পুরস্কার গ্রহণ করেন।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপদেষ্টা গওহর রিজভি, মাক্রোসফট বাংলাদেশ, মিয়ানমার, নেপাল, ভুটান ও লাওসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সোনিয়া বশির কবির, ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী সেলিম আরএফ হুসাইন, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেসের (বেসিস) সভাপতি সৈয়দ আলমাস কবির প্রমুখ।

বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনকারী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে ২০১৬ সাল থেকে ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টার আইসিটি আ্যওয়ার্ড প্রদান করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় হোটেল লা মেরিডিয়ানে ১৭ নভেম্বর বসেছিল এ আয়োজনের তৃতীয় আসর। এই আয়োজনে ডেইলি স্টারকে সহযোগিতা করেছে মাইক্রোসফট বাংলাদেশ লিমিটেড, ব্র্যাক ব্যাংক ও বেসিস। এবছর পুরস্কারের জন্য ৫টি বিভাগে ১৫২টি আবেদন জমা পড়েছিল। সেখান থেকে জুড়িবোর্ড প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে ৪টি প্রতষ্ঠান এবং ব্যক্তিগত পর্যায়ে ড. মো. সবুর খানকে এ পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত করেন।

বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তির উষালগ্ন থেকে একজন পথিকৃৎ প্রযুক্তিব্যবসায়ী হিসেবে এই খাতের উন্নয়নে ড. মো. সবুর খান নিরবে কাজ করে যাচ্ছেন। দেশ ও দেশের বাইরের দক্ষ আইটি পেশাজীবীর চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে গত শতকের ৯০-এর দশকে একজন আইটি উদ্যোক্তা হিসেবে তিনি তাঁর ক্যারিয়ার শুরু করেন। তখন তিনি ড্যাফোডিল কম্পিউটার্স প্রতিষ্ঠা করেন যেটি কম্পিউটার বিক্রির পাশাপাশি আইসিটির প্রশিক্ষণ প্রদান করত।

এরপর ড. খান ১৯৯৫ সালে এ্যাসেমব্লিং কম্পিউটারে প্রবেশ করেন এবং বাংলাদেশে প্রথম কম্পিউটার সুপার স্টোর ধারণার প্রবর্তন করেন। এখন ড্যাফোডিল গ্রুপের ৩৫টি প্রতিষ্ঠান রয়েছে এবং এক ডজনেরও বেশি বড় বড় প্রকল্পের সঙ্গে জড়িত রয়েছে ড্যাফোডিল। তিন দশকের ক্যারিয়ারে ড. খান আইটি খাতে অনেক নতুন নতুন আইডিয়া অন্তর্ভুক্ত করেছেন।