১৫ জানুয়ারি ২০২০, ১৫:৪৮

ঢাবি ছাত্রকে প্রকাশ্যে অস্ত্র ঠেকিয়ে রোষানলে যুবক, থানায় সোপর্দ

শাহবাগ থানায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে মো. আলিফ রুশদি হাসান মুনকে  © সংগৃহীত

সরস্বতী পূজার দিনে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটির নির্বাচন বন্ধ করার দাবি আজ বুধবার দুপুরে আবার শাহবাগ অবরোধ করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এসময় ওই সড়কে যান চলাচল বন্ধ ছিল। সেসময় নিজ প্রাইভেট কার করে সেখানে আটকা পড়েছিলো এক যুবক। এসময় তিনি যাওয়ার চেষ্টা করলে ছাত্ররা বাঁধা দেয়।

সেখানে আন্দোলনকারী এক শিক্ষার্থীকে প্রকাশ্যে অস্ত্র ঠেকায় ওই যুবক। পরে শিক্ষার্থীরা মারধর করে শাহবাগ থানা পুলিশের হাতে সোপর্দ করে। বেলা তিনটার দিকে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশের হাতে সোপর্দ হওয়া ওই ব্যক্তির নাম মো. আলিফ রুশদি হাসান মুন (৩৬) বলে নিশ্চিত করেছে শাহবাগ থানা পুলিশ। তিনি মতিঝিল এলাকায় ব্যবসা করেন।

শাহবাগে এই প্রাইভেট কারে আসছিল পুলিশে সোপার্দ ওই ব্যক্তি

জানা গেছে, ৩০শে জানুয়ারি নির্বাচন পেছানোর দাবিতে আন্দোলন করে আসছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। বুধবার দুপুরে নির্বাচন কমিশন ঘেরাওয়ের জন্য রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশ থেকে একটি মিছিল বের করেন তারা। একপর্যায়ে পুলিশের বাধা পেয়ে শাহবাগে অবস্থান নেয় আন্দোলনকারীরা। সেখানে তারা স্লোগান দিতে থাকেন। শাহবাগে সৃষ্টি হয় যানজটের। এরইমধ্যে একটি প্রাইভেট কারে থাকা মো. আলিফ বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন শিক্ষার্থীদের সঙ্গে। এই সময় মুন এক শিক্ষার্থীর বুকে অস্ত্র ঠেকান। তাকে হুমকি দেন।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা তাকে গণপিটুনি দেয়া শুরু করে। এরপর পুলিশ তাকে নিয়ে যায় শাহবাগ থানায়। ওই ব্যক্তি ব্যবসায়ী বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

এ বিষয়ে শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুল হাসান দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, আটক ব্যক্তির অস্ত্রের লাইসেন্স থাকায় আমরা তাকে ছেড়ে দিয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে

জানা যায়, আজ বুধবার (১৫ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন তারা। পরে দুপুর পৌনে ২টার দিকে শাহবাগ সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হল ছাড়াও বিভিন্ন হলের দুই শতাধিক শিক্ষার্থী এতে অংশ নেন। শাহবাগ অবরোধ করার কারণে ওই সড়ক দিয়ে সব ধরণের যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।