ক্যাম্পাসে ভ্রাম্যমাণ কাউকে দেখতে চাই না: ঢাবি উপাচার্য
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ‘মুজিববর্ষ ২০২০’ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষপূর্তি ও মহান স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে একটি সবুজ, পরিচ্ছন্ন ও নান্দনিক ক্যাম্পাস বিনির্মাণ করার লক্ষে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান ঘোষণা করা হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এস্টেট অফিস ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) যৌথ উদ্যোগে এ কার্যক্রম পরিচালনা করবে।
বুধবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনের কনফারেন্স রুমে শিক্ষার্থী স্বেচ্ছাসেবকদের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত হয়। এতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো: আখতারুজ্জামান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে দিক নির্দেশনা দেন।
তিনি বলেন, তোমরা বিশ্ববিদ্যালয়কে সত্যিকার অর্থেই ধারণ করো, তোমাদের সাধুবাদ জানাই। আমরা বিশ্ববিদ্যালয়কে দেখতে চাই সবুজ, শিক্ষার্থীবান্ধব ও পড়াশোনার উপযোগী।’
তিনি আরো বলেন, ‘ক্যাম্পাসে ভ্রাম্যমাণ মানুষগুলোকে আমরা দেখতে চাইনা। প্রক্টর টিম এ ব্যাপারে কাজ করবে, তোমরা তাদের সহযোগিতা করবে। তোমাদের এমন একটি পবিত্র ক্যাম্পাস বিনির্মাণ করে যেতে হবে যেন তোমাদের পরবর্তী প্রজন্ম তোমাদের স্মরণে রাখে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তোমাদের সহযোগিতা করবে।
ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রামের সমন্বয়ক ডাকসুর সদস্য মুহা. মাহমুদুল হাসান বলেন, আমরা আগামী তিনমাস এমনভাবে কাজ করবো যাতে শিক্ষার্থী ও দর্শনার্থীরা এই ক্যাম্পাসে বিনের বাইরে ময়লা ফেলতে লজ্জাবোধ করে। আমাদের আগমনী ভবিষৎ প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য ক্যাম্পাস রেখে যেতে চাই।’
এসময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক এ কে এম গোলাম রাব্বানী, সহকারী প্রক্টরবৃন্দ, এস্টেট অফিসের ভারপ্রাপ্ত ম্যানেজার সুপ্রিয়া সাহা। প্রোগ্রামের সহযোগী সমন্বয়ক হিসেবে কাজ করছেন ডাকসুর সদস্য তিলোত্তমা সিকদার ও ফরিদা পারভীন।
উল্লেখ্য, পরিচ্ছন্নতা অভিযানে ১০০ সদস্যের স্বেচ্ছাসেবক দল কাজ করবেন। ইতোমধ্যে প্রথম মেয়াদে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্য আগামী তিন মাসের জন্য ১০০ জনকে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে অন্তুর্ভূক্ত করা হয়েছে।
আগামী ১২ জানুয়ারি থেকে স্বেচ্ছাসেবকরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাতটি জোনে দায়িত্ব পালন করবেন। প্রতি সপ্তাহের রবিবার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার সকাল ১১টা থেকে ১টা প্রথম শিফট এবং বিকাল ৪টা থেকে ৬টা দ্বিতীয় শিফটে স্বেচ্ছাসেবকরা সচেতনতামূলক প্রচারণার দায়িত্ব পালন করবেন।