০৮ জানুয়ারি ২০২০, ২৩:২৭

মজনু গ্রেফতার: প্রশ্ন তুললেন আসিফ নজরুল

কুর্মিটোলায় ঢাকা বিশ্ববিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার ব্যক্তির নাম মজনু মিয়া। ৩০ বছর বয়সী এ যুবক একজন সিরিয়াল রেপিস্ট বলে উল্লেখ করেছে র‌্যাব। র‌্যাব জানায়, বিভিন্ন সময় ভিক্ষুক ও প্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণ করেছে বলেও স্বীকার করেছে মজনু।

বুধবার র‌্যাবের গণমাধ্যম শাখার পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সারোয়ার বিন কাশেম এ তথ্য জানান।র‌্যাব আরও জানায়, মজনু মিয়া মাদকাসক্ত। তার বাড়ি নোয়াখালীর হাতিয়ায়। তিনি ছিনতাইও করতেন। মূলত কয়েকটি বিষয়ের ওপর নির্ভর করে র‌্যাব অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে বলে জানা গেছে। 

এদিকে এ ঘটনায় সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে স্ট্যাটাস দিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল। তিনি লিখেছেন, ‘দু’দিনের মধ্যে ঢাবি ছাত্রীর ধর্ষক মজনুকে ধরা গেছে। ধন্যবাদ সরকারকে। কিন্তু সাথে সাথে কিছু প্রশ্ন তোলাও জরুরী এখন। কুমিল্লায় তনু ধর্ষন আর হত্যার ঘটনা ঘটেছে প্রায় চার বছর আগে। সে ঘটনার পাশবিকতা স্তদ্ধ করেছিল গোটা সমাজকে। মজনুকে এক লহমায় ধরা গেলে, তনুর ধর্ষক/হত্যাকারীকে ধরা গেল না কেন আজো?

এটা কি মজনু আর তনুর ধর্ষকের শ্রেনীচরিত্র ভিন্ন বলে? মজনু তুচ্ছাতিতুচ্ছ একজন ব্যক্তি। তনুর হত্যাকারী নিশ্চয় এমন তুচ্ছ নয়। সে বা তারা নিশ্চয় ক্ষমতাবলয়ের কেউ। তা নাহলে এতো ভিন্নতা কেন?

মজনুকে গ্রেফতার সরকারের সামর্থ্যের প্রমাণ হলে এটা অন্যান্য ক্ষেত্রে দেখানো যায়না কেন? কেন হয়না তনুর ধর্ষক গ্রেফতার? কেন হয়না আরো বহু ধর্ষক গ্রেফতার? কেন?