বশেমুরবিপ্রবি শিক্ষার্থীদের সাথে সংহতি ছাত্র অধিকার পরিষদের
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বশেমুরবিপ্রবি) আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সাথে সংহতি জানিয়ে সমাবেশ করেছে কোটা সংস্কার আন্দোলনে গড়ে ওঠা প্ল্যাটফর্ম বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের নেতারা ।
বৃহস্পতিবার বিকাল পাঁচটার দিকে রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে তারা এই সংহতি সমাবেশ করে। এসময় ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের নেতারা ভিসির পদত্যাগ দাবি করেন।
সংহতি সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সাধারণ শিক্ষার্থী অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক রাশেদ খান, ফারুক হাসান, মশিউর রহমান, সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী জাহিদ, আইন বিভাগের শিক্ষার্থী সালাউদ্দিন উদ্দিন সিফাত প্রমুখ।
সংহতি সমাবেশে যুগ্ম আহ্বায়ক ফারুক হাসান বলেন, যখন মিডিয়ায় গলা টিপে ধরা হয়েছে তখন এদেশের কিছু তরুণ অন্যায় অবিচার ও জুলুমের প্রতিবাদ করছে। আজকে বাংলাদেশের প্রত্যেকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কি অবস্থা আপনারা ভাল করে জানেন। সরকারের দেওয়া লেজুড়বৃত্তিক প্রশাসন প্রত্যেকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাব্যবস্থাকে আজ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেছে। বাংলাদেশের প্রত্যেকটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কি পরিমান নির্লজ্জ বেহায়া মেরুদণ্ডহীন আপনারা জানেন।
তিনি আরো বলেন, যে কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি যৌক্তিক দাবিকে কেন্দ্র করে কোনো আন্দোলন গড়ে উঠলে সাথে সাথে এই মেরুদণ্ডহীন বেহায়া প্রশাসন পুলিশকে খবর দেয়। আমরা আজ সংহতির মাধ্যমে বলতে চাই, আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের দাবি যেকোনো মূল্যে মেনে নিতে হবে। নির্লজ্জ বেহায়া ভিসির পদত্যাগ করতে হবে।
রাশেদ খান বলেন, আপনারা জানেন বাংলাদেশের প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে অস্থিরতা বিরাজ করছে। কেন এই অস্থিরতা। আমরা প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্ষমতাসীন সংগঠনের নির্যাতন নিপীড়ন দেখতে পাচ্ছি। কিন্তু কেন। আজকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনে দলীয় লেজুড়বৃত্তিক শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হয়। যদি বিশ্ববিদ্যালয় নিরপেক্ষ শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হতো তাহলে গোপালগঞ্জে যে ধরনের ঘটনা ঘটছে, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে যে ধরনের ঘটনা ঘটেছে তা ঘটতনা।
তিনি আরো বলেন, আজকে ক্ষমতাসীন দল বিশ্ববিদ্যালয়কে নিয়ন্ত্রণ করতে চাচ্ছে ।যে কারণে তাদের পোষা বাহিনী বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগ দিচ্ছে। গোপালগঞ্জের ভিসি বাহিনী শিক্ষার্থীদের মাথা ফাটিয়ে দিয়েছে। এখনো তাদের আটক করা হয়নি। আজকে শিক্ষার্থীরা জেগে উঠেছে। অবশ্যই ভিসির পদত্যাগ করতে হবে।